বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহর ছিল বর্ণিল উৎসবে মুখরিত। ইসলামিয়া সরকারি কলেজ মাঠ থেকে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল আনন্দ মিছিল বের করা হয়। এতে অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। আনন্দ মিছিল উদ্বোধন করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, 'অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোন অশুভ ও পরাজিত অপশক্তি যেন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।' তিনি আরও বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দলকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর দেখানো পথে চলেই দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। টুকু জানান, বিএনপির প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি আগের বছরের মতো এবারও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবে পূর্ণ সহায়তা করবে বিএনপি, যাতে তারা উৎসব উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজা পালন করতে পারেন। পরে খোলা ট্রাকে দাঁড়িয়ে আনন্দ মিছিলে অংশ নেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের মিছিলে পুরো শহর উৎসবে রুপ নেয়। রাস্তার দুপাশে ও বাড়ির ছাদে অগণিত জনতা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানায়। বিএনপির এই আয়োজনে তরুণ সেচ্ছাসেবী ও কর্মীদের সুশৃঙ্খল উপস্থিতি এবং মিছিলের পরিবেশ ঠিক রাখতে পরিশ্রম ছিল চোখে পড়ার মতো। শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি, জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে নেতাকর্মীরা বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেচে গেয়ে মিছিলে অংশ নেন। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি বাজার স্টেশন এলাকার মুক্তির সোপানে গিয়ে শেষ হয়।
432
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহর ছিল বর্ণিল উৎসবে মুখরিত।
ইসলামিয়া সরকারি কলেজ মাঠ থেকে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল আনন্দ মিছিল বের করা হয়।
এতে অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
আনন্দ মিছিল উদ্বোধন করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোন অশুভ ও পরাজিত অপশক্তি যেন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দলকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর দেখানো পথে চলেই দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
টুকু জানান, বিএনপির প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি আগের বছরের মতো এবারও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবে পূর্ণ সহায়তা করবে বিএনপি, যাতে তারা উৎসব উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজা পালন করতে পারেন।
পরে খোলা ট্রাকে দাঁড়িয়ে আনন্দ মিছিলে অংশ নেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের মিছিলে পুরো শহর উৎসবে রুপ নেয়। রাস্তার দুপাশে ও বাড়ির ছাদে অগণিত জনতা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানায়।
বিএনপির এই আয়োজনে তরুণ সেচ্ছাসেবী ও কর্মীদের সুশৃঙ্খল উপস্থিতি এবং মিছিলের পরিবেশ ঠিক রাখতে পরিশ্রম ছিল চোখে পড়ার মতো।
শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি, জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে নেতাকর্মীরা বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেচে গেয়ে মিছিলে অংশ নেন।
শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি বাজার স্টেশন এলাকার মুক্তির সোপানে গিয়ে শেষ হয়।