সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে এমইপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন। রোববার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শেখ মনোয়ার হোসেন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এমইপি গ্রুপ মূলত ইলেকট্রিক পণ্য প্রস্তুত করে। এ সময় গ্রুপটিকে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে প্লট নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় ইকোনমিক জোনের পক্ষ থেকে। বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর অঞ্চলটিকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেয়। প্রায় ১ হাজার ৪১ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এ অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১১০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বিত যোগাযোগ সুবিধাকে অর্থনৈতিক অঞ্চলটির অন্যতম বড় সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর সংযোগ এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা কাজে লাগিয়ে এখানে শিল্প ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলটির পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোট ভূমির একটি বড় অংশ সবুজ অবকাঠামো ও অন্যান্য সুবিধার জন্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পসহ টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, খাদ্য ও পানীয়, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস ও অন্যান্য শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্য রয়েছে। পরিদর্শন শেষে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের মূল্যবান পর্যবেক্ষণ, পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
55
সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে এমইপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন।
রোববার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শেখ মনোয়ার হোসেন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এমইপি গ্রুপ মূলত ইলেকট্রিক পণ্য প্রস্তুত করে। এ সময় গ্রুপটিকে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে প্লট নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় ইকোনমিক জোনের পক্ষ থেকে।
বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর অঞ্চলটিকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেয়। প্রায় ১ হাজার ৪১ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এ অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১১০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বিত যোগাযোগ সুবিধাকে অর্থনৈতিক অঞ্চলটির অন্যতম বড় সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর সংযোগ এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা কাজে লাগিয়ে এখানে শিল্প ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থনৈতিক অঞ্চলটির পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোট ভূমির একটি বড় অংশ সবুজ অবকাঠামো ও অন্যান্য সুবিধার জন্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পসহ টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, খাদ্য ও পানীয়, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস ও অন্যান্য শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্য রয়েছে।
পরিদর্শন শেষে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের মূল্যবান পর্যবেক্ষণ, পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে এমইপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন। রোববার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শেখ মনোয়ার হোসেন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এমইপি গ্রুপ মূলত ইলেকট্রিক পণ্য প্রস্তুত করে। এ সময় গ্রুপটিকে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে প্লট নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় ইকোনমিক জোনের পক্ষ থেকে। বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততার বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর অঞ্চলটিকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেয়। প্রায় ১ হাজার ৪১ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এ অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১১০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বিত যোগাযোগ সুবিধাকে অর্থনৈতিক অঞ্চলটির অন্যতম বড় সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর সংযোগ এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা কাজে লাগিয়ে এখানে শিল্প ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলটির পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোট ভূমির একটি বড় অংশ সবুজ অবকাঠামো ও অন্যান্য সুবিধার জন্য রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পসহ টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, খাদ্য ও পানীয়, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস ও অন্যান্য শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্য রয়েছে। পরিদর্শন শেষে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের মূল্যবান পর্যবেক্ষণ, পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।