গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
আপডেট সময়
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
১১ দলীয় ঐক্য জোট, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা। ছবি: সংগৃহীত
গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি
গ্যাস ও বিদ্যুতের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা। বুধবার (৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী বরাবর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন জোটের নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সই করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তে দেশের সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগ ও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের মাসিক ডিমান্ড চার্জ ও মিটার চার্জ বহাল রাখা এবং ঘনঘন বিল বৃদ্ধি জনজীবনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পরিবহণসহ প্রায় সব খাতেই উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সীমিত আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জনজীবনের বাস্তবতা বিবেচনা না করে এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি জনস্বার্থের পরিপন্থী বলেও দাবি করা হয়। স্মারকলিপিতে ১১ দলীয় জোট ছয় দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, নিম্ন ও মধ্যবিত্তের স্বার্থে জনবান্ধব জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, জনগণের মতামত ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত না নেওয়া, মাসিক মিটার ও ডিমান্ড চার্জ বাতিল এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। এ সময় জোটের নেতারা বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারসহ স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
1116
গ্যাস ও বিদ্যুতের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।
বুধবার (৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী বরাবর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন জোটের নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সই করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তে দেশের সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগ ও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের মাসিক ডিমান্ড চার্জ ও মিটার চার্জ বহাল রাখা এবং ঘনঘন বিল বৃদ্ধি জনজীবনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পরিবহণসহ প্রায় সব খাতেই উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সীমিত আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জনজীবনের বাস্তবতা বিবেচনা না করে এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি জনস্বার্থের পরিপন্থী বলেও দাবি করা হয়।
স্মারকলিপিতে ১১ দলীয় জোট ছয় দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, নিম্ন ও মধ্যবিত্তের স্বার্থে জনবান্ধব জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, জনগণের মতামত ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত না নেওয়া, মাসিক মিটার ও ডিমান্ড চার্জ বাতিল এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ সময় জোটের নেতারা বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারসহ স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি
গ্যাস ও বিদ্যুতের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা। বুধবার (৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী বরাবর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন জোটের নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সই করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তে দেশের সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগ ও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের মাসিক ডিমান্ড চার্জ ও মিটার চার্জ বহাল রাখা এবং ঘনঘন বিল বৃদ্ধি জনজীবনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পরিবহণসহ প্রায় সব খাতেই উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সীমিত আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জনজীবনের বাস্তবতা বিবেচনা না করে এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি জনস্বার্থের পরিপন্থী বলেও দাবি করা হয়। স্মারকলিপিতে ১১ দলীয় জোট ছয় দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, নিম্ন ও মধ্যবিত্তের স্বার্থে জনবান্ধব জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, জনগণের মতামত ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত না নেওয়া, মাসিক মিটার ও ডিমান্ড চার্জ বাতিল এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। এ সময় জোটের নেতারা বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারসহ স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।