সিরাজগঞ্জ সদর আসনে বহুলী পুনঃসংযুক্তে আনন্দে ভাসছে এলাকাবাসী
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
সিরাজগঞ্জ সদর আসনে বহুলী পুনঃসংযুক্তে আনন্দে ভাসছে এলাকাবাসী
সিরাজগঞ্জের বহুলী ইউনিয়নকে পুনরায় সদর আসন (সিরাজগঞ্জ-২) এর অন্তর্ভুক্ত করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানের পর বহুলীর মানুষ তাদের প্রাণের দাবি আদায়ে সফল হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ২০২৫, বহুলী ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) থেকে বাদ দিয়ে পুনরায় সিরাজগঞ্জ-২ আসনে যুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে এলাকার সাধারণ মানুষ আনন্দে আত্মহারা হয়ে মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে। বহুলীর এই বিজয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝেও ছিল উৎসবের পরিবেশ। জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক এস এম রেজাউর রহমান ফিরোজ বলেন,“বহুলীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল এটি। আমাদের আন্দোলন সফল হওয়ায় সাবেক মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভাইসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।” এ সময় বহুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদৌস আলী, সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল চৌধুরী, যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে বহুলী ইউনিয়নকে সিরাজগঞ্জ-২ থেকে কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ-১) আসনে যুক্ত করা হয়েছিল, যা নিয়ে সেসময়কার ক্ষমতাসীন আওয়ামী নেতারাসহ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। কারণ, বহুলী থেকে কাজীপুরের দূরত্ব প্রায় ২৮ কিলোমিটার, অথচ জেলা সদরের দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। এই ‘অযৌক্তিক’ সংযুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয়রা একাধিক মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। ২০১৮ সালে আন্দোলনের চিত্র
228
সিরাজগঞ্জের বহুলী ইউনিয়নকে পুনরায় সদর আসন (সিরাজগঞ্জ-২) এর অন্তর্ভুক্ত করায় এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানের পর বহুলীর মানুষ তাদের প্রাণের দাবি আদায়ে সফল হয়েছে।
গত ৩০ জুলাই ২০২৫, বহুলী ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) থেকে বাদ দিয়ে পুনরায় সিরাজগঞ্জ-২ আসনে যুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে এলাকার সাধারণ মানুষ আনন্দে আত্মহারা হয়ে মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে।
বহুলীর এই বিজয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝেও ছিল উৎসবের পরিবেশ।
জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক এস এম রেজাউর রহমান ফিরোজ বলেন,“বহুলীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল এটি। আমাদের আন্দোলন সফল হওয়ায় সাবেক মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভাইসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”
এ সময় বহুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদৌস আলী, সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল চৌধুরী, যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে বহুলী ইউনিয়নকে সিরাজগঞ্জ-২ থেকে কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ-১) আসনে যুক্ত করা হয়েছিল, যা নিয়ে সেসময়কার ক্ষমতাসীন আওয়ামী নেতারাসহ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। কারণ, বহুলী থেকে কাজীপুরের দূরত্ব প্রায় ২৮ কিলোমিটার, অথচ জেলা সদরের দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। এই ‘অযৌক্তিক’ সংযুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয়রা একাধিক মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। ২০১৮ সালে আন্দোলনের চিত্র