শহীদ জিয়া দেশের শিক্ষা ও উন্নয়নের বুনিয়াদ গড়েছিলেন: টুকু
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
শহীদ জিয়া দেশের শিক্ষা ও উন্নয়নের বুনিয়াদ গড়েছিলেন: টুকু
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা সহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের বুনিয়াদ গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, “জিয়ার সেই উন্নয়নের বুনিয়াদের উপর আজও দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে।” বুধবার (১ অক্টোবর ২০২৫) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তনে জেলা শিক্ষক সমিতি আয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। টুকু বলেন, “আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি না হয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বিরোধী দলের নেতা হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের সংস্কার ও উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেন খালেদা জিয়া। নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন পথিকৃৎ। তাঁর শাসনামলে প্রণীত হয় বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন। মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে জিয়া ও খালেদা জিয়ার নীতি ছিল সুস্পষ্ট—শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা। নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষার আধুনিকীকরণে তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেন। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে টুকু বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশকে সর্বক্ষেত্রে লুটপাট করেছে। অব্যবস্থাপনার জঞ্জাল বিছিয়ে গেছে। সেখান থেকে ফেরাতে বর্তমান সরকার হিমশিম খাচ্ছে। বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এলে সেই জঞ্জাল পরিষ্কার করে সকল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবে।” সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চু। জেলা শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবু হাশেম তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় জেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মকবুল হোসেন চৌধুরী, আনিসুজ্জামান পাপ্পু, আবদুল কাদের, অমর কৃষ্ণ দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ খান হাসানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ...
295
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা সহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের বুনিয়াদ গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, “জিয়ার সেই উন্নয়নের বুনিয়াদের উপর আজও দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে।”
বুধবার (১ অক্টোবর ২০২৫) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তনে জেলা শিক্ষক সমিতি আয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
টুকু বলেন, “আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি না হয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বিরোধী দলের নেতা হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের সংস্কার ও উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেন খালেদা জিয়া। নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন পথিকৃৎ। তাঁর শাসনামলে প্রণীত হয় বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন। মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি হয়।”
তিনি আরও বলেন, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে জিয়া ও খালেদা জিয়ার নীতি ছিল সুস্পষ্ট—শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা। নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষার আধুনিকীকরণে তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেন।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে টুকু বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশকে সর্বক্ষেত্রে লুটপাট করেছে। অব্যবস্থাপনার জঞ্জাল বিছিয়ে গেছে। সেখান থেকে ফেরাতে বর্তমান সরকার হিমশিম খাচ্ছে। বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এলে সেই জঞ্জাল পরিষ্কার করে সকল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবে।”
সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চু। জেলা শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবু হাশেম তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় জেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মকবুল হোসেন চৌধুরী, আনিসুজ্জামান পাপ্পু, আবদুল কাদের, অমর কৃষ্ণ দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ খান হাসানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ জিয়া দেশের শিক্ষা ও উন্নয়নের বুনিয়াদ গড়েছিলেন: টুকু
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষা সহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের বুনিয়াদ গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, “জিয়ার সেই উন্নয়নের বুনিয়াদের উপর আজও দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে।” বুধবার (১ অক্টোবর ২০২৫) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর ভাসানী মিলনায়তনে জেলা শিক্ষক সমিতি আয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। টুকু বলেন, “আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি না হয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বিরোধী দলের নেতা হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের সংস্কার ও উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেন খালেদা জিয়া। নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন পথিকৃৎ। তাঁর শাসনামলে প্রণীত হয় বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন। মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে জিয়া ও খালেদা জিয়ার নীতি ছিল সুস্পষ্ট—শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা। নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষার আধুনিকীকরণে তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেন। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে টুকু বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশকে সর্বক্ষেত্রে লুটপাট করেছে। অব্যবস্থাপনার জঞ্জাল বিছিয়ে গেছে। সেখান থেকে ফেরাতে বর্তমান সরকার হিমশিম খাচ্ছে। বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এলে সেই জঞ্জাল পরিষ্কার করে সকল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবে।” সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চু। জেলা শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবু হাশেম তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় জেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মকবুল হোসেন চৌধুরী, আনিসুজ্জামান পাপ্পু, আবদুল কাদের, অমর কৃষ্ণ দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ খান হাসানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ...