1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
বগুড়ায় ‘সদস্য শিক্ষাশিবির’এ অংশ নিয়েছে সিরাজগঞ্জ ছাত্রশিবির সদস্যরা ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা’ প্রতিপাদ্যে সিরাজগঞ্জে ভূমিসেবা মেলা শুরু নাটোরকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে টিম সিরাজগঞ্জ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে মানবিক বিপ্লব ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: বিদ্যুৎমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে বৈচিত্র্যের ঐক্যে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ ম্যারাথনে মেয়েদের মধ্যে সবার আগে ১৪ বছর বয়সী সুমাইয়া সিরাজগঞ্জের এতিম রায়হান-রোহানের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিরাজগঞ্জে ধানের বাম্পার ফলন, কাটামাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে মুখর ‘রান সিরাজগঞ্জ ৭.৫’ ম্যারাথন পৌর এলাকায় বর্ষা শুরুর আগেই জলাবদ্ধতা
                   
                       

পৌর এলাকায় বর্ষা শুরুর আগেই জলাবদ্ধতা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
পৌর এলাকায় অপরিকল্পিত ড্রেন-খানাখন্দ, বর্ষা শুরুর আগেই জলাবদ্ধতা। ছবি: সংগৃহীত
100

সিরাজগঞ্জ: খাতা-কলমে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। কিন্তু, নাগরিক সেবা প্রাপ্তিতে ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই জলাবদ্ধতায় নাকাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে। সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের অধিকাংশ এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা।

অপরিকল্পিত ড্রেনেজ, ভাঙাচোরা সড়ক ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে পৌরসভার মাহমুদপুর, মাছিমপুর, হোসেনপুর, জানপুরসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জনজীবনে ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। অনেক এলাকায় পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দিনের পর দিন পানি জমে থাকছে। এতে করে নষ্ট হচ্ছে সড়ক, তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ সড়কে বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব খানাখন্দ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। কোথাও কোথাও ইট ও কার্পেটিং উঠে গেছে। এতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাস্তা।

পৌরসভার এক বাসিন্দা বলেন, ‘প্রতিদিন বাচ্চাদের নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। রাস্তার অবস্থা এত খারাপ যে, স্কুলে পাঠাতেও ভয় লাগে। পৌরসভা শুধু আশ্বাস দেয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।’ শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন রোগি ও বয়স্ক মানুষরাও। জলাবদ্ধতা ও ভাঙা সড়কের কারণে রোগিদের হাসপাতালে নিতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে বিপাকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্সও ঠিকমতো প্রবেশ করতে পারছে না।

এদিকে সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন ক্ষতির মুখে। শহরের বিভিন্ন দোকানপাটে পানি ঢুকে নষ্ট হচ্ছে মালামাল। সেইসঙ্গে ক্রেতা সমাগম কমে যাওয়ায় ব্যবসাও মারাত্মকভাবে ক্ষতির মুখে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। অপরিকল্পিতভাবে ছোট ছোট ড্রেন নির্মাণ করা হলেও সেগুলোর সঙ্গে মূল পানি নিষ্কাশন লাইনের কোনো সমন্বয় নেই। ফলে পানি সহজে বের হতে পারছে না। অনেক ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে থাকলেও নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না।

নগর পরিকল্পনাবিদদের বলছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুধু সড়ক সংস্কার করলেই হবে না, প্রয়োজন আধুনিক ও সমন্বিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। তবে সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস দিয়েছেন পৌর প্রশাসক শাহাদাত হুসেইন। তিনি বলেন, ‘শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা কাজ শুরু করেছি। কোথায় কী সমস্যা আছে, তা চিহ্নিত করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ড্রেন সংস্কার, নতুন ড্রেন নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত করা হবে।’

অপরদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পৌরসভার বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, রাস্তাঘাট ও ড্রেন এভাবে পড়ে থাকলে আগামী বর্ষায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

01

02

Tags: , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত