1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
সিরাজগঞ্জে প্রথম সুপেয় পানির পাম্পের ইতিকথা
নতুন সংবাদ
সিরাজগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যালে চাকরি মেলা ২৮ জানুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে সিরাজগঞ্জে সরস্বতী পূজা ও প্রতিমা বিসর্জন সিরাজগঞ্জ মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু নানা আয়োজনে মাছুমপুর ক্রীড়া চক্রের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন তাড়াশে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তাড়াশে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জামায়াত সরকার গঠন করলে সিরাজগঞ্জ থেকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটে আগ্রহ নেই সিরাজগঞ্জের কারাবন্দীদের সিরাজগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ যমুনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে কলেজছাত্র নিখোঁজ
                   
                       

সিরাজগঞ্জে প্রথম সুপেয় পানির পাম্পের ইতিকথা

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জে প্রথম সুপেয় পানির পাম্পের ইতিকথা
127

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় এক যুগ কেটে গেলেও তখনও সিরাজগঞ্জ শহরের মানুষ টিউবওয়েল বা চাপকলের পানি পান করতেন। বিশুদ্ধ পানি ছিল নাগরিক জীবনের এক অনুপূর্ণ স্বপ্ন। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৮৩ সালে শহরের পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন মঞ্জুর হাসান মাহমুদ খুশী—যিনি নিজের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও উদ্যোগে সিরাজগঞ্জবাসীর জীবনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কিছু ছবিসহ পোস্ট করেছেন মঞ্জুর হাসান মাহমুদ খুশীর বড় পুত্র জাভেদ হাসান মাহমুদ। পোস্টে তিনি সিরাজগঞ্জের প্রথম পানির পাম্পের ইতিহাস তুলে ধরেছেন।

পোস্টে জানা যায়, ১৯৮৩ সালে খবর আসে যে নেদারল্যান্ড সরকার বাংলাদেশ সরকারকে ১৭টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট অনুদান হিসেবে দিচ্ছে। সেই সময় দেশে মাত্র ১৭টি জেলা ছিল, সিরাজগঞ্জ তখনও জেলা হয়নি। খবরটি জানার পর পৌর চেয়ারম্যান খুশী তাঁর ভগ্নীপতি ও তৎকালীন মন্ত্রী ডা. মতিন সাহেবকে বিষয়টি জানান এবং অনুরোধ করেন—“মতিন ভাই, একটা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট আমাদের সিরাজগঞ্জ শহরের জন্য লাগবেই লাগবে।”

যদিও অনুদানটি ডা. মতিন সাহেবের মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ছিল না, তবুও তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ফলস্বরূপ, ১৭টি প্লান্টের একটি সিরাজগঞ্জের জন্য বরাদ্দ হয়।

ধানবান্ধি এলাকায় স্থাপিত সেই ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি শহরের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে ওঠে। প্রথমবারের মতো সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন পাড়ায় পানির লাইন স্থাপন করা হয় এবং ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ পৌঁছে যায়। শহরের মানুষ তখন প্রথমবারের মতো সুপেয় পানির স্বাদ পান।

শুধু পানির সরবরাহ নয়, চেয়ারম্যান মঞ্জুর হাসান মাহমুদ খুশীর তিন মেয়াদকালে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ব্যাপক উন্নয়নের মুখ দেখেছিল। তাঁর নেতৃত্বে পৌরসভা তৃতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় উন্নীত হয় এবং একাধিকবার দেশের সবচেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পৌরসভার স্বীকৃতি অর্জন করে।

আজকের আধুনিক সিরাজগঞ্জের যে অবকাঠামো, নাগরিক সুবিধা ও পৌরসেবা আমরা দেখি—তার অনেকটাই সেই সময়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও উন্নয়ন পরিকল্পনার ফল। মঞ্জুর হাসান মাহমুদ খুশী ও তাঁর সমসাময়িক প্রজন্মের সেই নিরলস প্রচেষ্টা আজও সিরাজগঞ্জের মানুষের জীবনযাত্রায় সেবা দিয়ে যাচ্ছে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে রেখে যাচ্ছে উন্নয়নের এক অনন্য উত্তরাধিকার।

01

02

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৫-২০২৬ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
error: Content is protected !!