সিরাজগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে স্থানীয় অংশীজনদের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়)” প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) উপপরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের ক্ষমতায়ন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। যাতে প্রান্তিক মানুষ অল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে বিচারিক সেবা পেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নিরপেক্ষ ভূমিকা বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। গণপতি রায় আরও বলেন, গ্রাম আদালত সক্রিয় করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ইউনিয়নে বিচার কার্যক্রমের এজলাস না থাকায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। বর্তমানে যেখানে চেয়ারম্যান নেই, সেখানে প্যানেল চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহাম্মেদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শরীফুল ইসলাম এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কানিজ ফাতেমা প্রমুখ। বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সাধারণ মানুষ সহজেই স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার পেতে পারবে এবং কেন্দ্রীয় আদালতের ওপর চাপও কমবে। এজন্য গণমাধ্যম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
51
সিরাজগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে স্থানীয় অংশীজনদের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়)” প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) উপপরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের ক্ষমতায়ন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। যাতে প্রান্তিক মানুষ অল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে বিচারিক সেবা পেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নিরপেক্ষ ভূমিকা বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণপতি রায় আরও বলেন, গ্রাম আদালত সক্রিয় করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ইউনিয়নে বিচার কার্যক্রমের এজলাস না থাকায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। বর্তমানে যেখানে চেয়ারম্যান নেই, সেখানে প্যানেল চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহাম্মেদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শরীফুল ইসলাম এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সাধারণ মানুষ সহজেই স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার পেতে পারবে এবং কেন্দ্রীয় আদালতের ওপর চাপও কমবে। এজন্য গণমাধ্যম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।