সিরাজগঞ্জে সোলার ব্যবসার নতুন সুযোগ, তালিকাভুক্ত হতে পারবেন উদ্যোক্তারা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে সোলার ব্যবসার নতুন সুযোগ, তালিকাভুক্ত হতে পারবেন উদ্যোক্তারা
সিরাজগঞ্জে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ব্যবসা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। রুফটপ সোলার স্থাপন ও সেবা দেওয়ার কাজে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। সোলার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নতুন উদ্যোক্তারাও এ সুযোগ নিতে পারবেন। সোলার স্থাপনে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ সোলার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগও রাখা হয়েছে। তালিকাভুক্ত উদ্যোক্তারা নিজ জেলায় সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রুফটপ সোলার প্রকল্পেও কাজ করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে নিজস্ব ব্যবহারের জন্য সোলার স্থাপন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রির উদ্দেশ্যে সোলার প্রকল্প এবং ছাদ ভাড়া নিয়ে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন। তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। পোস্টারে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীর গ্রেড লাইসেন্স, TIN, ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সলভেন্সি এবং হালনাগাদ ট্রেড সার্টিফিকেট থাকতে হবে। আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা ফি দিয়ে নির্ধারিত বিদ্যুৎ বিতরণ অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত হলে রুফটপ সোলার সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে। পোস্টারে তালিকাভুক্তির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের ইলেকট্রিশিয়ান, সোলার ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, ঠিকাদার এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী তরুণদের জন্য এ উদ্যোগটি সম্ভাব্য নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
190
সিরাজগঞ্জে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ব্যবসা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। রুফটপ সোলার স্থাপন ও সেবা দেওয়ার কাজে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
সোলার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নতুন উদ্যোক্তারাও এ সুযোগ নিতে পারবেন। সোলার স্থাপনে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ সোলার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগও রাখা হয়েছে।
তালিকাভুক্ত উদ্যোক্তারা নিজ জেলায় সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রুফটপ সোলার প্রকল্পেও কাজ করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে নিজস্ব ব্যবহারের জন্য সোলার স্থাপন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রির উদ্দেশ্যে সোলার প্রকল্প এবং ছাদ ভাড়া নিয়ে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন।
তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। পোস্টারে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীর গ্রেড লাইসেন্স, TIN, ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সলভেন্সি এবং হালনাগাদ ট্রেড সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা ফি দিয়ে নির্ধারিত বিদ্যুৎ বিতরণ অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত হলে রুফটপ সোলার সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে।
পোস্টারে তালিকাভুক্তির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের ইলেকট্রিশিয়ান, সোলার ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, ঠিকাদার এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী তরুণদের জন্য এ উদ্যোগটি সম্ভাব্য নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
সিরাজগঞ্জে সোলার ব্যবসার নতুন সুযোগ, তালিকাভুক্ত হতে পারবেন উদ্যোক্তারা
সিরাজগঞ্জে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ব্যবসা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। রুফটপ সোলার স্থাপন ও সেবা দেওয়ার কাজে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। সোলার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নতুন উদ্যোক্তারাও এ সুযোগ নিতে পারবেন। সোলার স্থাপনে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ সোলার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগও রাখা হয়েছে। তালিকাভুক্ত উদ্যোক্তারা নিজ জেলায় সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রুফটপ সোলার প্রকল্পেও কাজ করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে নিজস্ব ব্যবহারের জন্য সোলার স্থাপন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রির উদ্দেশ্যে সোলার প্রকল্প এবং ছাদ ভাড়া নিয়ে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন। তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। পোস্টারে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীর গ্রেড লাইসেন্স, TIN, ১০ লাখ টাকার ব্যাংক সলভেন্সি এবং হালনাগাদ ট্রেড সার্টিফিকেট থাকতে হবে। আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা ফি দিয়ে নির্ধারিত বিদ্যুৎ বিতরণ অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত হলে রুফটপ সোলার সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে। পোস্টারে তালিকাভুক্তির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের ইলেকট্রিশিয়ান, সোলার ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, ঠিকাদার এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী তরুণদের জন্য এ উদ্যোগটি সম্ভাব্য নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।