ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাঁতে তৈরি কাপড়ের হাটগুলোতে বেড়েছে কেনাবেচার ব্যস্ততা। জেলার বিভিন্ন হাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে ভিড় করছেন। এতে নতুন করে প্রাণ ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী তাঁতের বাজারে। তবে আগের বছরগুলোর মতো এবার বিদেশি পাইকারদের উপস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁত মালিকদের দাবি, ট্রানজিট সুবিধা না থাকায় বিদেশি ব্যবসায়ীরা হাটে আসতে পারছেন না। ফলে তৈরি করা কাপড় বিদেশে রপ্তানির সুযোগও কমে গেছে। বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের তাঁত মালিক মোহাম্মাদ আলী জানান, ঈদ উপলক্ষে তিনি প্রচুর শাড়ি ও লুঙ্গি তৈরি করেছেন। সেগুলো বিভিন্ন হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে আগের মতো বিদেশি ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। আগে দেশের বাইরের ব্যবসায়ীরাও এসে পাইকারিভাবে শাড়ি-লুঙ্গি কিনে নিয়ে যেতেন। বেলকুচির সোহাগপুর হাটের পুরোনো কাপড় ব্যবসায়ী আলী আকবার বলেন, সাধারণত রোজার এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁতের বেশিরভাগ কাপড় বিক্রি হয়ে যায়। তবে এ বছর ট্রানজিট সুবিধা না থাকায় বাইরের দেশের পাইকাররা আসতে পারছেন না। কাপড় কিনতে আসা পাইকার ব্যবসায়ী আতাউর রহমান বলেন, হাটে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও লুঙ্গি পাওয়া যাচ্ছে এবং চাহিদা অনুযায়ী কাপড় কিনতে কোনো সমস্যা হয়নি। তবে আগের মতো দেশি-বিদেশি পাইকারদের ভিড় এবার কম। সোহাগপুর হাটের ইজারাদার হেলাল উদ্দিন জানান, ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা হাটে আসতে শুরু করেছেন। ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে তাঁতের শাড়ি, লুঙ্গি ও থ্রি-পিসে নতুন নতুন ডিজাইন আনা হয়েছে। তবে ট্রানজিট সুবিধা না থাকায় বিদেশি পাইকারদের দেখা মিলছে না। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, তাঁত কাপড়ের হাটে যাতে কেউ হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ট্রানজিট সুবিধার বিষয়টি নতুন সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে বলেও তিনি জানান।
34
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাঁতে তৈরি কাপড়ের হাটগুলোতে বেড়েছে কেনাবেচার ব্যস্ততা। জেলার বিভিন্ন হাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে ভিড় করছেন। এতে নতুন করে প্রাণ ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী তাঁতের বাজারে।
তবে আগের বছরগুলোর মতো এবার বিদেশি পাইকারদের উপস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁত মালিকদের দাবি, ট্রানজিট সুবিধা না থাকায় বিদেশি ব্যবসায়ীরা হাটে আসতে পারছেন না। ফলে তৈরি করা কাপড় বিদেশে রপ্তানির সুযোগও কমে গেছে।
বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের তাঁত মালিক মোহাম্মাদ আলী জানান, ঈদ উপলক্ষে তিনি প্রচুর শাড়ি ও লুঙ্গি তৈরি করেছেন। সেগুলো বিভিন্ন হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে আগের মতো বিদেশি ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। আগে দেশের বাইরের ব্যবসায়ীরাও এসে পাইকারিভাবে শাড়ি-লুঙ্গি কিনে নিয়ে যেতেন।
বেলকুচির সোহাগপুর হাটের পুরোনো কাপড় ব্যবসায়ী আলী আকবার বলেন, সাধারণত রোজার এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁতের বেশিরভাগ কাপড় বিক্রি হয়ে যায়। তবে এ বছর ট্রানজিট সুবিধা না থাকায় বাইরের দেশের পাইকাররা আসতে পারছেন না।
কাপড় কিনতে আসা পাইকার ব্যবসায়ী আতাউর রহমান বলেন, হাটে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি ও লুঙ্গি পাওয়া যাচ্ছে এবং চাহিদা অনুযায়ী কাপড় কিনতে কোনো সমস্যা হয়নি। তবে আগের মতো দেশি-বিদেশি পাইকারদের ভিড় এবার কম।
সোহাগপুর হাটের ইজারাদার হেলাল উদ্দিন জানান, ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা হাটে আসতে শুরু করেছেন। ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে তাঁতের শাড়ি, লুঙ্গি ও থ্রি-পিসে নতুন নতুন ডিজাইন আনা হয়েছে। তবে ট্রানজিট সুবিধা না থাকায় বিদেশি পাইকারদের দেখা মিলছে না।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, তাঁত কাপড়ের হাটে যাতে কেউ হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ট্রানজিট সুবিধার বিষয়টি নতুন সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে বলেও তিনি জানান।