সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় গরু ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ শেখ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সিরাজগঞ্জ পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৯ নভেম্বর বিকেলে বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন আব্দুল লতিফ। তিন দিন পর ১২ নভেম্বর সকালে সলঙ্গার চর ফরিদপুর এলাকায় ফুলজোর নদীতে ইট বাঁধা অবস্থায় তার লাশ ভাসতে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা লাশ সনাক্ত করার পর সলঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেনের নির্দেশনায় ডিবির একটি চৌকস দল তদন্তে নামে। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার ও গোয়েন্দা তৎপরতায় হত্যায় জড়িত চারজনকে ১৭ নভেম্বর চর ফরিদপুর ও আশপাশ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলো—মাসুদ রানা, ফরিদুল ইসলাম, শাহিনুর খাতুন ও রফিকুল ইসলাম। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, টাকা-পাওনা নিয়ে বিরোধ থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, আসামিদের একজন মোছাঃ শাহিনুর খাতুন খতিবের (আব্দুল লতিফ) সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্র ধরে তাকে নদীর ঘাটে ডেকে আনে। সেখানে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা অন্য আসামিরা তাকে ঘুমের ওষুধ মেশানো এনার্জি ড্রিংক পান করায়। দুর্বল হয়ে পড়ার পর তার গলায় চাদর পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে হাত-পায়ে ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার বর্ণনা আদালতে স্বীকার করে চার আসামিই জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ জানায়, বাকি জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।
60
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় গরু ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ শেখ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ৯ নভেম্বর বিকেলে বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন আব্দুল লতিফ। তিন দিন পর ১২ নভেম্বর সকালে সলঙ্গার চর ফরিদপুর এলাকায় ফুলজোর নদীতে ইট বাঁধা অবস্থায় তার লাশ ভাসতে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা লাশ সনাক্ত করার পর সলঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেনের নির্দেশনায় ডিবির একটি চৌকস দল তদন্তে নামে। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার ও গোয়েন্দা তৎপরতায় হত্যায় জড়িত চারজনকে ১৭ নভেম্বর চর ফরিদপুর ও আশপাশ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলো—মাসুদ রানা, ফরিদুল ইসলাম, শাহিনুর খাতুন ও রফিকুল ইসলাম।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, টাকা-পাওনা নিয়ে বিরোধ থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, আসামিদের একজন মোছাঃ শাহিনুর খাতুন খতিবের (আব্দুল লতিফ) সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্র ধরে তাকে নদীর ঘাটে ডেকে আনে। সেখানে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা অন্য আসামিরা তাকে ঘুমের ওষুধ মেশানো এনার্জি ড্রিংক পান করায়। দুর্বল হয়ে পড়ার পর তার গলায় চাদর পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে হাত-পায়ে ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার বর্ণনা আদালতে স্বীকার করে চার আসামিই জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ জানায়, বাকি জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।