যমুনা নদীতে চাঁদা তোলার সময় ইউপি সদস্য-সমন্বয়কসহ আটক ১০
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
যমুনা নদীতে চাঁদা তোলার সময় ইউপি সদস্য-সমন্বয়কসহ আটক ১০
সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড থেকে চাঁদা তোলার সময় এক ইউপি সদস্য ও এক ছাত্র সমন্বয়কারীসহ ১০ জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। যমুনা নদীতে চাঁদা তোলার সময় শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে ঘোড়জান এলাকার নদী থেকে তাদের ধরা হয়। চৌহালী নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহম্মেদ আটক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটকরা হলেন– ঘোড়জান ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মানিক সিকদার (৫৫), স্বল্পমূল্যের চালের ডিলার ও ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ধারী আল আমিন (২৪), নজরুল ইসলাম (৪৫), শহীদুল ইসলাম (৩৫), আব্দুল আলীম (৪০), শরীফুল ইসলাম (৩৫), জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫), ইউনুস আলী (২৬), শহীদুল ইসলাম (৪৫) ও ফরিদ হোসেন (২৬)। তাদের বাড়ি ঘোড়জান ইউনিয়নের রেহাই কাউলিয়া গ্রামে। নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হবে। জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর এলাকার ইজারা করা বালুমহাল থেকে প্রতিদিন শতাধিক বাল্কহেড বিভিন্ন স্থানে বালু পরিবহন করে। আর এসব নৌযান থেকে একটি চক্র নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল তারা। চাঁদা না দিলে ভয়ভীতি, হুমকি এবং চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করত তারা। বিশেষ করে ঘোড়জানের মুরাদপুর ও রেহাই কাউলিয়া পয়েন্টে প্রতিদিনই চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের মারধরও করা হতো বলে জানা গেছে। ওসি ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, নগদ দুই হাজার টাকা এবং ১০টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় চাঁদাবাজির মামলার প্রস্তুতি চলছে।
172
সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড থেকে চাঁদা তোলার সময় এক ইউপি সদস্য ও এক ছাত্র সমন্বয়কারীসহ ১০ জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ।
যমুনা নদীতে চাঁদা তোলার সময় শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে ঘোড়জান এলাকার নদী থেকে তাদের ধরা হয়। চৌহালী নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহম্মেদ আটক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটকরা হলেন– ঘোড়জান ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মানিক সিকদার (৫৫), স্বল্পমূল্যের চালের ডিলার ও ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ধারী আল আমিন (২৪), নজরুল ইসলাম (৪৫), শহীদুল ইসলাম (৩৫), আব্দুল আলীম (৪০), শরীফুল ইসলাম (৩৫), জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫), ইউনুস আলী (২৬), শহীদুল ইসলাম (৪৫) ও ফরিদ হোসেন (২৬)। তাদের বাড়ি ঘোড়জান ইউনিয়নের রেহাই কাউলিয়া গ্রামে।
নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর এলাকার ইজারা করা বালুমহাল থেকে প্রতিদিন শতাধিক বাল্কহেড বিভিন্ন স্থানে বালু পরিবহন করে। আর এসব নৌযান থেকে একটি চক্র নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল তারা। চাঁদা না দিলে ভয়ভীতি, হুমকি এবং চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করত তারা। বিশেষ করে ঘোড়জানের মুরাদপুর ও রেহাই কাউলিয়া পয়েন্টে প্রতিদিনই চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের মারধরও করা হতো বলে জানা গেছে।
ওসি ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান, এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, নগদ দুই হাজার টাকা এবং ১০টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় চাঁদাবাজির মামলার প্রস্তুতি চলছে।
যমুনা নদীতে চাঁদা তোলার সময় ইউপি সদস্য-সমন্বয়কসহ আটক ১০
সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড থেকে চাঁদা তোলার সময় এক ইউপি সদস্য ও এক ছাত্র সমন্বয়কারীসহ ১০ জনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। যমুনা নদীতে চাঁদা তোলার সময় শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে ঘোড়জান এলাকার নদী থেকে তাদের ধরা হয়। চৌহালী নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহম্মেদ আটক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটকরা হলেন– ঘোড়জান ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মানিক সিকদার (৫৫), স্বল্পমূল্যের চালের ডিলার ও ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ধারী আল আমিন (২৪), নজরুল ইসলাম (৪৫), শহীদুল ইসলাম (৩৫), আব্দুল আলীম (৪০), শরীফুল ইসলাম (৩৫), জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫), ইউনুস আলী (২৬), শহীদুল ইসলাম (৪৫) ও ফরিদ হোসেন (২৬)। তাদের বাড়ি ঘোড়জান ইউনিয়নের রেহাই কাউলিয়া গ্রামে। নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হবে। জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর এলাকার ইজারা করা বালুমহাল থেকে প্রতিদিন শতাধিক বাল্কহেড বিভিন্ন স্থানে বালু পরিবহন করে। আর এসব নৌযান থেকে একটি চক্র নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল তারা। চাঁদা না দিলে ভয়ভীতি, হুমকি এবং চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করত তারা। বিশেষ করে ঘোড়জানের মুরাদপুর ও রেহাই কাউলিয়া পয়েন্টে প্রতিদিনই চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের মারধরও করা হতো বলে জানা গেছে। ওসি ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা, নগদ দুই হাজার টাকা এবং ১০টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় চাঁদাবাজির মামলার প্রস্তুতি চলছে।