দেশের বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি, গোপন চুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সমতার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন ‘ক্যাব সিরাজগঞ্জ’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। ১৫ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি ও একের পর এক গোপন চুক্তির বোঝা এখনো জনগণকে বহন করতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে আদানি গ্রুপসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন চুক্তি করা হয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ না করলেও সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে রাষ্ট্র। বক্তারা আরও বলেন, এসব চুক্তি ভবিষ্যতের কোনো সরকার যাতে সহজে বাতিল করতে না পারে, সেজন্য দায়মুক্তি আইনও করা হয়েছে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী। এর ফলে বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। মানববন্ধনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সরকারি প্রণোদনা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ খাতে সমতা নিশ্চিত করা এবং বিতর্কিত ও জনস্বার্থবিরোধী চুক্তিগুলো পর্যালোচনা ও বাতিলের দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে ক্যাবের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, ভোক্তা অধিকারকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
154
দেশের বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি, গোপন চুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সমতার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন ‘ক্যাব সিরাজগঞ্জ’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
১৫ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি ও একের পর এক গোপন চুক্তির বোঝা এখনো জনগণকে বহন করতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে আদানি গ্রুপসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন চুক্তি করা হয়েছে, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ না করলেও সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে রাষ্ট্র।
বক্তারা আরও বলেন, এসব চুক্তি ভবিষ্যতের কোনো সরকার যাতে সহজে বাতিল করতে না পারে, সেজন্য দায়মুক্তি আইনও করা হয়েছে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী। এর ফলে বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
মানববন্ধনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সরকারি প্রণোদনা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ খাতে সমতা নিশ্চিত করা এবং বিতর্কিত ও জনস্বার্থবিরোধী চুক্তিগুলো পর্যালোচনা ও বাতিলের দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে ক্যাবের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, ভোক্তা অধিকারকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।