যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলেছে, তলিয়েছে চরাঞ্চলের জমি
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫
যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলেছে, তলিয়েছে চরাঞ্চলের জমি
সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি এখন দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। গত তিন দিন ধরে পানি বাড়ার গতি আরও বেড়েছে। ফুলজোড় ও করতোয়াসহ জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও একযোগে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতি বিপদজনক নয় এবং এ বছর জেলার কোথাও বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এর আগের দুই দিনেও পানির একই হারে বৃদ্ধি দেখা গেছে—একটিতে ২২ সেন্টিমিটার, অন্যটিতে ২৩ সেন্টিমিটার। উল্লেখ্য, এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ১২ দশমিক ৯০ মিটার। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির কারণে যমুনার পানি দ্রুত বাড়ছে। ফলে চরাঞ্চলের নিচু ফসলি জমিগুলো তলিয়ে গেছে। তবে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে পানি বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা নেই।” এদিকে কাজিপুর উপজেলার মেঘাই পয়েন্টে যমুনার পানি দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ০৪ মিটারে। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ২৩ সেন্টিমিটার। বর্তমানে এই পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যেখানে বিপৎসীমা হলো ১৪ দশমিক ৮০ মিটার।
349
সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি এখন দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। গত তিন দিন ধরে পানি বাড়ার গতি আরও বেড়েছে। ফুলজোড় ও করতোয়াসহ জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও একযোগে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতি বিপদজনক নয় এবং এ বছর জেলার কোথাও বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।
শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এর আগের দুই দিনেও পানির একই হারে বৃদ্ধি দেখা গেছে—একটিতে ২২ সেন্টিমিটার, অন্যটিতে ২৩ সেন্টিমিটার। উল্লেখ্য, এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ১২ দশমিক ৯০ মিটার।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির কারণে যমুনার পানি দ্রুত বাড়ছে। ফলে চরাঞ্চলের নিচু ফসলি জমিগুলো তলিয়ে গেছে। তবে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে পানি বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা নেই।”
এদিকে কাজিপুর উপজেলার মেঘাই পয়েন্টে যমুনার পানি দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ০৪ মিটারে। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ২৩ সেন্টিমিটার। বর্তমানে এই পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যেখানে বিপৎসীমা হলো ১৪ দশমিক ৮০ মিটার।
যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলেছে, তলিয়েছে চরাঞ্চলের জমি
সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি এখন দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। গত তিন দিন ধরে পানি বাড়ার গতি আরও বেড়েছে। ফুলজোড় ও করতোয়াসহ জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও একযোগে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, চলমান পরিস্থিতি বিপদজনক নয় এবং এ বছর জেলার কোথাও বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এর আগের দুই দিনেও পানির একই হারে বৃদ্ধি দেখা গেছে—একটিতে ২২ সেন্টিমিটার, অন্যটিতে ২৩ সেন্টিমিটার। উল্লেখ্য, এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ১২ দশমিক ৯০ মিটার। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির কারণে যমুনার পানি দ্রুত বাড়ছে। ফলে চরাঞ্চলের নিচু ফসলি জমিগুলো তলিয়ে গেছে। তবে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে পানি বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা নেই।” এদিকে কাজিপুর উপজেলার মেঘাই পয়েন্টে যমুনার পানি দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ০৪ মিটারে। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ২৩ সেন্টিমিটার। বর্তমানে এই পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যেখানে বিপৎসীমা হলো ১৪ দশমিক ৮০ মিটার।