শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ শহর। ছবি: সংগৃহীত
দুর্গাপূজায় বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ শহর। সন্ধ্যা নামতেই শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জ্বলে উঠছে নানা রঙের বাহারি বাতি। আলোর ঝলকানি আর নান্দনিক সাজসজ্জায় শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের জেলা থেকেও আসছেন দর্শনার্থীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন। বর্ণিল আলোকসজ্জাকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি শহরের এই নান্দনিক রূপ উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পূজামণ্ডপেও চলছে সাজসজ্জার আয়োজন। মণ্ডপে মণ্ডপে শোভা পাচ্ছে দেবী দুর্গার প্রতিমা। ফুল, আলোকসজ্জা ও নানা নান্দনিক উপকরণে সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপগুলো। ঢাক-ঢোল ও কাঁসার বাদ্য, পূজা-অর্চনা এবং দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবের দিনগুলোতে মুখর হয়ে উঠছে মণ্ডপ প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থী তন্ময় রায় বলেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরভাবে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি আলোকসজ্জা দেখতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন মানুষ। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো এবং ছবি তোলার মধ্য দিয়ে পূজার আনন্দ উপভোগ করছেন তিনি। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু জানান, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভক্ত ও দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উপভোগ করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে, পূজাকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় জেলায় সাড়ে সাতশ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যানুযায়ী, এ বছর সিরাজগঞ্জ জেলায় ৫৫২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এসব মণ্ডপে ধর্মীয়...
117
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ শহর। সন্ধ্যা নামতেই শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জ্বলে উঠছে নানা রঙের বাহারি বাতি। আলোর ঝলকানি আর নান্দনিক সাজসজ্জায় শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের জেলা থেকেও আসছেন দর্শনার্থীরা।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন। বর্ণিল আলোকসজ্জাকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি শহরের এই নান্দনিক রূপ উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা।
দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পূজামণ্ডপেও চলছে সাজসজ্জার আয়োজন। মণ্ডপে মণ্ডপে শোভা পাচ্ছে দেবী দুর্গার প্রতিমা। ফুল, আলোকসজ্জা ও নানা নান্দনিক উপকরণে সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপগুলো। ঢাক-ঢোল ও কাঁসার বাদ্য, পূজা-অর্চনা এবং দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবের দিনগুলোতে মুখর হয়ে উঠছে মণ্ডপ প্রাঙ্গণ।
দর্শনার্থী তন্ময় রায় বলেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরভাবে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি আলোকসজ্জা দেখতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন মানুষ। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো এবং ছবি তোলার মধ্য দিয়ে পূজার আনন্দ উপভোগ করছেন তিনি।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু জানান, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভক্ত ও দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উপভোগ করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পূজাকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় জেলায় সাড়ে সাতশ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যানুযায়ী, এ বছর সিরাজগঞ্জ জেলায় ৫৫২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এসব মণ্ডপে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে পূজা-অর্চনার পাশাপাশি উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।
বর্ণিল আলোকসজ্জা, প্রতিমার নান্দনিক সাজ এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সিরাজগঞ্জ শহর এখন উৎসবমুখর। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের অংশগ্রহণে শারদীয় দুর্গোৎসব হয়ে উঠেছে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মিলনমেলা। উৎসবের এই পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ শহর। সন্ধ্যা নামতেই শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জ্বলে উঠছে নানা রঙের বাহারি বাতি। আলোর ঝলকানি আর নান্দনিক সাজসজ্জায় শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের জেলা থেকেও আসছেন দর্শনার্থীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন। বর্ণিল আলোকসজ্জাকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি শহরের এই নান্দনিক রূপ উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা। দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পূজামণ্ডপেও চলছে সাজসজ্জার আয়োজন। মণ্ডপে মণ্ডপে শোভা পাচ্ছে দেবী দুর্গার প্রতিমা। ফুল, আলোকসজ্জা ও নানা নান্দনিক উপকরণে সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপগুলো। ঢাক-ঢোল ও কাঁসার বাদ্য, পূজা-অর্চনা এবং দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবের দিনগুলোতে মুখর হয়ে উঠছে মণ্ডপ প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থী তন্ময় রায় বলেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরভাবে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি আলোকসজ্জা দেখতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন মানুষ। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো এবং ছবি তোলার মধ্য দিয়ে পূজার আনন্দ উপভোগ করছেন তিনি। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু জানান, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভক্ত ও দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উপভোগ করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে, পূজাকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় জেলায় সাড়ে সাতশ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যানুযায়ী, এ বছর সিরাজগঞ্জ জেলায় ৫৫২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এসব মণ্ডপে ধর্মীয়...