পানি বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সিরাজগঞ্জের ঘরবাড়ি
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
পানি বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সিরাজগঞ্জের ঘরবাড়ি
যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন চরাঞ্চলে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের প্রভাবে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা এবং বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনার পানি বাড়ছে। কয়েকদিন পানি কিছুটা কমলেও আবারও বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চৌহালী, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকা। ইতোমধ্যে কাজিপুরের খাসরাজবাড়ি ও চরগিরিশ, চৌহালীর চর সলিমাবাদ, সিরাজগঞ্জ সদরের পূর্ব বাহুকা ও কাওয়াকোলা চর এবং শাহজাদপুরের বিভিন্ন চরাঞ্চলে বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে অনেকেই আশ্রয় ও জীবিকার সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মাসে চৌহালী ও কাজিপুরে দুই দফায় প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা আগে থেকেই চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেত। প্রতিবছর একই ধরনের ভাঙনে বহু পরিবার সর্বস্ব হারালেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনার পানি ক্রমাগত বাড়ছে। স্রোতের তীব্রতা এবং নদীর তলদেশে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপাতত বন্যার আশঙ্কা না থাকলেও ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
113
যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন চরাঞ্চলে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের প্রভাবে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা এবং বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনার পানি বাড়ছে। কয়েকদিন পানি কিছুটা কমলেও আবারও বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চৌহালী, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকা। ইতোমধ্যে কাজিপুরের খাসরাজবাড়ি ও চরগিরিশ, চৌহালীর চর সলিমাবাদ, সিরাজগঞ্জ সদরের পূর্ব বাহুকা ও কাওয়াকোলা চর এবং শাহজাদপুরের বিভিন্ন চরাঞ্চলে বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
ভাঙনের মুখে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে অনেকেই আশ্রয় ও জীবিকার সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মাসে চৌহালী ও কাজিপুরে দুই দফায় প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা আগে থেকেই চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেত। প্রতিবছর একই ধরনের ভাঙনে বহু পরিবার সর্বস্ব হারালেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনার পানি ক্রমাগত বাড়ছে। স্রোতের তীব্রতা এবং নদীর তলদেশে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আপাতত বন্যার আশঙ্কা না থাকলেও ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পানি বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সিরাজগঞ্জের ঘরবাড়ি
যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন চরাঞ্চলে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের প্রভাবে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা এবং বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনার পানি বাড়ছে। কয়েকদিন পানি কিছুটা কমলেও আবারও বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চৌহালী, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকা। ইতোমধ্যে কাজিপুরের খাসরাজবাড়ি ও চরগিরিশ, চৌহালীর চর সলিমাবাদ, সিরাজগঞ্জ সদরের পূর্ব বাহুকা ও কাওয়াকোলা চর এবং শাহজাদপুরের বিভিন্ন চরাঞ্চলে বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে অনেকেই আশ্রয় ও জীবিকার সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মাসে চৌহালী ও কাজিপুরে দুই দফায় প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা আগে থেকেই চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেত। প্রতিবছর একই ধরনের ভাঙনে বহু পরিবার সর্বস্ব হারালেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনার পানি ক্রমাগত বাড়ছে। স্রোতের তীব্রতা এবং নদীর তলদেশে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপাতত বন্যার আশঙ্কা না থাকলেও ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।