1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
উল্লাপাড়ায় ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ পড়ে নারী নিহত তাড়াশ ও রায়গঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ২ কামারখন্দে এনডিপির উদ্যোগে ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন আমিরুল ইসলাম খান ডিজেল সংকটে বন্ধ পাম্প, বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক রায়গঞ্জে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ইটভাটার চিমনি, জরিমানা লাখ টাকা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দল সিরাজগঞ্জের আহ্বায়ক ফ্রুট, সদস্য সচিব আলীম বিদ্যুৎ সরবরাহ জটিলতায় সিরাজগঞ্জে সাময়িক বন্ধ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বদলে গেলো শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের নাম
                   
                       

ডিজেল সংকটে বন্ধ পাম্প, বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
74

রায়গঞ্জ: দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটে যানবাহন মালিকদের পর এবার সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উত্তরের শস্যভাণ্ডারখ্যাত চলনবিলের সেচ পাম্পগুলো। আবার অনেকে বাড়তি দামে ডিজেল কিনে পাম্প চালাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভের মুখে দেখেতে পারবেন কি না সেটা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়ছে। এ অবস্থায় চলতি মৌসুমে বোরো চাষ নিয়ে কৃষকদের কপালে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানায়, শস্যভাণ্ডারখ্যাত তাড়াশের চলনবিল এলাকায় চলতি মৌসুমে ২২ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হচ্ছে। এই এলাকায় ডিজেল চালিত সাত হাজার ১১টি সেচ পাম্প রয়েছে। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে এসব পাম্প চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
চলনবিল এলাকার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ বছর ৩৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করছি। আমার তিনটি সেচ পাম্প রয়েছে। যা দিয়ে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন জমিতে সেচ দিতে হয়। একদিন জমিতে সেচ দিতে লাগে ২৫ লিটার ডিজেল। কিন্তু সারাদিন পেট্রোল পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে ১০ লিটার ডিজেল পাওয়ায় যাচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, পেট্রোল পাম্পে থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেয়ে বাইরে থেকে অতিরিক্ত দাম দিয়ে ডিজেল কিনছেন। পাম্পে ১০ লিটার ডিজেল কিনতে লাগে ১১৫০ টাকা। আর বাইরে থেকে ২০ লিটার ডিজেল কিনতে হয়েছে ৩০০০ টাকায়। এতে তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভবিষ্যতে উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম পাবেন কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
মনোহরপুর এলকার কৃষক রাকিব বলেন, ‘২৬ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি। জমিতে নিয়মিত সেচ দিতে হয়, কিন্তু ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। আমার নিজের সেচ পাম্প তিনটি। যেগুলো বর্তমানে বন্ধ করে রেখে উপজেলা কৃষি অফিসে তেলের কার্ডের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। তেল না পাওয়া গেলে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।’
তাড়াশ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠ সেন গুপ্তা জানান, শস্যভাণ্ডার চলনবিল এলাকায় এরই মধ্যে জমির বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। ধান কাটার পুরোপুরি মৌসুম আসতে আরও প্রায় ১৫ দিনের মতো লাগবে। কৃষকরা যেন জমিতে সঠিকভাবে সেচ দিতে পারে সেজন্য সরকার কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। কার্ড নিয়ে পেট্রোল পাম্পে গেলে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা বলেন, ‘চলনবিল এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত কৃষকরা যেন সময়মতো ডিজেল সংগ্রহ করতে পারে সেজন্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসাররা কাজ করছেন।’ চলনবিল এলাকায় বোরো আবাদে তেমন কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানান তিনি।

01

02

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত