সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলওয়ে ওভারপাস ও আশেপাশের এলাকা সন্ধ্যা নামলেই ছিনতাই ও চুরির জন্য আতঙ্কিত স্থানে পরিণত হয়েছে। আলোর ব্যবস্থা না থাকায় পুরো এলাকা বিকাল-সন্ধ্যায় অন্ধকারে ঢেকে যায়, আর এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা নির্বিঘ্নে চুরি ও ছিনতাই চালিয়ে পালিয়ে যায়। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার এক বছর পার হলেও এখনো স্ট্রিট লাইট চালু হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই ওভারপাসের দুই পাশে স্ট্রিট লাইটের খুঁটি থাকলেও তাতে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করে বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই সড়ক বিভাগের কাছে ওভারপাসটি বুঝিয়ে দিয়েছে। ট্রাকচালক মিজান বলেন, 'সন্ধ্যার পর এই পথে চলাচল করাই যায় না। অনেকেই মোবাইল, টাকা বা ব্যাগ ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে। যদি পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তা পাহারা থাকত, তাহলে এমনটা হতো না। লাইট না থাকায় গাড়ি চালানোও কষ্টকর।' ২০১৯ সালে প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাইপাস সড়কসহ ওভারপাসটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স মঈন উদ্দিন বাঁশি লিমিটেড। সাব-কন্ট্রাক্ট পায় এরোষ্টকেট প্রোপাইটরিজ লিমিটেড। ২০১৯ সালের ১৬ মে কাজ শুরু হয়ে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও চারবার সময় বাড়িয়ে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি কাজ শেষ করে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরোষ্টকেট প্রোপাইটরিজ লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার খাইরুল ইসলাম বলেন, কাজ শেষ করে কর্মচারীরা ঈদের ছুটিতে গেলে ফেরার পর দেখা যায়, ওভারপাসের লাইট জ্বালানোর সব ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও তার চুরি হয়ে গেছে। পরে প্রায় ১২ লাখ টাকার নতুন সরঞ্জাম কিনে সড়ক বিভাগের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি। সিরাজগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, 'বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় লাইট জ্বালানো যাচ্ছে না। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে সংযোগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। খুব শিগগিরই ওভারপাসে লাইট জ্বালানো হবে।'
113
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলওয়ে ওভারপাস ও আশেপাশের এলাকা সন্ধ্যা নামলেই ছিনতাই ও চুরির জন্য আতঙ্কিত স্থানে পরিণত হয়েছে। আলোর ব্যবস্থা না থাকায় পুরো এলাকা বিকাল-সন্ধ্যায় অন্ধকারে ঢেকে যায়, আর এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা নির্বিঘ্নে চুরি ও ছিনতাই চালিয়ে পালিয়ে যায়। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার এক বছর পার হলেও এখনো স্ট্রিট লাইট চালু হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই ওভারপাসের দুই পাশে স্ট্রিট লাইটের খুঁটি থাকলেও তাতে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করে বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই সড়ক বিভাগের কাছে ওভারপাসটি বুঝিয়ে দিয়েছে।
ট্রাকচালক মিজান বলেন, ‘সন্ধ্যার পর এই পথে চলাচল করাই যায় না। অনেকেই মোবাইল, টাকা বা ব্যাগ ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে। যদি পর্যাপ্ত আলো ও নিরাপত্তা পাহারা থাকত, তাহলে এমনটা হতো না। লাইট না থাকায় গাড়ি চালানোও কষ্টকর।’
২০১৯ সালে প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাইপাস সড়কসহ ওভারপাসটির নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স মঈন উদ্দিন বাঁশি লিমিটেড। সাব-কন্ট্রাক্ট পায় এরোষ্টকেট প্রোপাইটরিজ লিমিটেড। ২০১৯ সালের ১৬ মে কাজ শুরু হয়ে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও চারবার সময় বাড়িয়ে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি কাজ শেষ করে সড়ক বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এরোষ্টকেট প্রোপাইটরিজ লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার খাইরুল ইসলাম বলেন, কাজ শেষ করে কর্মচারীরা ঈদের ছুটিতে গেলে ফেরার পর দেখা যায়, ওভারপাসের লাইট জ্বালানোর সব ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও তার চুরি হয়ে গেছে। পরে প্রায় ১২ লাখ টাকার নতুন সরঞ্জাম কিনে সড়ক বিভাগের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি।
সিরাজগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় লাইট জ্বালানো যাচ্ছে না। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে সংযোগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। খুব শিগগিরই ওভারপাসে লাইট জ্বালানো হবে।’