সিরাজগঞ্জ শহরের যানজট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও রেলস্টেশন এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ করেছেন। পূজার এই ব্যস্ত সময়ে তাদের শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে দেখা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শহরের ব্যস্ত এলাকায় চলাচল দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে সকাল-বিকেল অফিস ও স্কুল-কলেজের সময় যানজট চরমে পৌঁছাত। তবে এই উদ্যোগে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীরা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে নগরবাসীর জীবনে। সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, “এটা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, জনগণের স্বার্থে নেওয়া মানবিক উদ্যোগ। আমি চাই এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকুক এবং শহরের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।” স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, আগে বাজার এলাকায় এত ভিড় হতো যে ক্রেতারা আসতে চাইতো না। এখন অনেকটা স্বস্তি। শহরের অটোচালক মতিউর রহমান জানান, যানজট কমলে তাদেরও ভালো লাগে। তবে যাত্রী ওঠানামার নির্দিষ্ট জায়গা থাকলে আরও সুবিধা হবে। শহরবাসী মনে করছে, এই ধরনের উদ্যোগ স্থায়ীভাবে কার্যকর হলে সিরাজগঞ্জ শহরের যানবাহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
126
সিরাজগঞ্জ শহরের যানজট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। শহরের প্রধান সড়ক, বাজার এলাকা ও রেলস্টেশন এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ করেছেন।
পূজার এই ব্যস্ত সময়ে তাদের শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে দেখা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শহরের ব্যস্ত এলাকায় চলাচল দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে সকাল-বিকেল অফিস ও স্কুল-কলেজের সময় যানজট চরমে পৌঁছাত। তবে এই উদ্যোগে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীরা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে নগরবাসীর জীবনে।
সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, “এটা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, জনগণের স্বার্থে নেওয়া মানবিক উদ্যোগ। আমি চাই এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকুক এবং শহরের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, আগে বাজার এলাকায় এত ভিড় হতো যে ক্রেতারা আসতে চাইতো না। এখন অনেকটা স্বস্তি।
শহরের অটোচালক মতিউর রহমান জানান, যানজট কমলে তাদেরও ভালো লাগে। তবে যাত্রী ওঠানামার নির্দিষ্ট জায়গা থাকলে আরও সুবিধা হবে।
শহরবাসী মনে করছে, এই ধরনের উদ্যোগ স্থায়ীভাবে কার্যকর হলে সিরাজগঞ্জ শহরের যানবাহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।