সিরাজগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ঐতিহাসিক মামলার রায়ে সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ঐতিহাসিক মামলার রায়ে সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন
জুলাই–আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আজ (সোমবার) ঘোষণা হওয়ার কথা। মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন। রায়কে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সরকারি অফিসচত্বর, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও শপিং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহল চলছে সকাল থেকেই। র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তল্লাশিতে ব্যস্ত এলাকা আরও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। প্রবেশপথে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা চেকপোস্ট, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে চলছে তল্লাশি। জেলা পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রায়কে কেন্দ্র করে কোনো গুজব বা উসকানিমূলক পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, তা নিশ্চিত করতে সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে মোবাইল টহল টিম, পাশাপাশি রয়েছে সাদা পোশাকের পুলিশ। প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে বিগত কয়েকদিন কোনো আগুন সন্ত্রাস ও নাশকতা হয়নি। সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলছেন, “সিরাজগঞ্জে শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।” রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোনো ধরণের নাশকতা প্রতিরোধে বিএনপি, জামায়াত ও বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরাও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
110
জুলাই–আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আজ (সোমবার) ঘোষণা হওয়ার কথা। মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন। রায়কে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সরকারি অফিসচত্বর, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও শপিং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহল চলছে সকাল থেকেই। র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তল্লাশিতে ব্যস্ত এলাকা আরও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। প্রবেশপথে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা চেকপোস্ট, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে চলছে তল্লাশি।
জেলা পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রায়কে কেন্দ্র করে কোনো গুজব বা উসকানিমূলক পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, তা নিশ্চিত করতে সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে মোবাইল টহল টিম, পাশাপাশি রয়েছে সাদা পোশাকের পুলিশ।
প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে বিগত কয়েকদিন কোনো আগুন সন্ত্রাস ও নাশকতা হয়নি।
সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলছেন, “সিরাজগঞ্জে শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কোনো ধরণের নাশকতা প্রতিরোধে বিএনপি, জামায়াত ও বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরাও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।