বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবিতে সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জেও ‘নো প্রোমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ইউনিটের ব্যানারে কলেজ প্রাঙ্গণে প্রভাষকরা কর্মবিরতি পালন করেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে সিরাজগঞ্জের সকল সরকারি কলেজের প্রভাষকরা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ নভেম্বর (সোমবার) সকালে ৩ দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোমেনা ইসলাম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে সব যোগ্যতা পূরণ করেও তারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের গাফিলতিকেই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেন।
প্রভাষকদের অভিযোগ, বিভিন্ন কলেজ জাতীয়করণের পর বিসিএস ছাড়া অনেক শিক্ষক ক্যাডারভুক্ত হয়ে সিনিয়রিটির দাবি করছেন, যা শিক্ষা ক্যাডারের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে। অন্যদিকে ৩২তম থেকে ৩৭তম বিসিএস ব্যাচের বহু প্রভাষক ৭ থেকে ১২ বছর পার করলেও প্রথম পদোন্নতি পাননি।
তাদের তিন দফা দাবি হলো—চলমান মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, জাতীয়করণকৃত কলেজগুলোর বিতর্কিত ক্যাডারভুক্তির প্রজ্ঞাপন বাতিল, এবং প্রভাষকদের পদোন্নতির সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি।
শিক্ষকরা বলেন, তারা আগেই উচ্চ বেতনস্কেলে থাকায় পদোন্নতি বাস্তবায়নে সরকারের কোনো আর্থিক চাপ বাড়বে না। তাই দ্রুত পদোন্নতি কার্যকর করার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এ কর্মসূচিতে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, ইসলামিয়া কলেজ, রাশিদুজ্জহা মহিলা কলেজ, উল্লাপাড়া আকবর আলী কলেজ, শাহজাদপুর সরকারি কলেজ এবং কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজের প্রভাষকরা অংশ নেন।
Tags: পদোন্নতির দাবি, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ