সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের গাঁড়া বিলের সাদা শাপলা ফুলের অপরূপ দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করে। সবুজে ঘেরা বিলের চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত ও আশেপাশে থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা। স্থানীয়ভাবে এটি ‘গাঁড়া বিল’ নামে পরিচিত হলেও, পর্যটকদের কাছে ধীরে ধীরে ‘গাড়ি লেক’ নামেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিলের ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কোলাহল এবং দেশি মাছের আনাগোনা আশেপাশের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। সাদা শাপলা জাতীয় ফুল হিসেবে করার মূল কারণ হলো, এর সাদা রং বাংলাদেশের জনগণের প্রতীক হিসেবে ধরা হয় এবং এর পাপড়িগুলো দেশের মানুষকে একত্রিত করার প্রতীক। সাদা শাপলা মুদ্রা, নোট এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিলে জাতীয় ফুল শাপলার জলছাপ আঁকা থাকে। সারাবিশ্বে ৫০ প্রজাতির শাপলা থাকলেও বাংলাদেশে মাত্র ২ প্রজাতির শাপলা জন্মে— সাদা ও লাল রঙের শাপলা। সারাবছর দেশের খাল-বিল, হাওড়-বাঁওড় এবং পুকুরে প্রচুর শাপলা ফোটে। স্থানীয়রা জানান, ভোরের আলোয় বিলের পানিতে শাপলার মাঝে সূর্যের প্রতিচ্ছবি এক অসাধারণ সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। ফুলগুলো সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত পানির ওপর ভেসে থাকে। এর গোলাকার সবুজ পাতায় সাদা ও লাল শাপলা দেখতে আরও মনোমুগ্ধকর লাগে। দেশের বিভিন্ন জেলাতে শাপলা ফুলের ডাটা তরকারি হিসেবে খাওয়ার চল থাকলেও সিরাজগঞ্জ জেলার মানুষের সেটি তেমন একটা নেই। শখের বসে শিশুকিশোররা শাপলা তুলে থাকে, তবে খালবিল পরিষ্কার করে শাপলা তুলে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে অনেকসময় ব্যবহার হয়। উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন, দেশে সারাবছরই শাপলা কমবেশি সব জায়গায় হয়, তবে বর্ষা ও শরৎকালে এর সংখ্যা বেশি। গ্রামের মানুষ শাপলাকে সবজি হিসেবে খেতে পছন্দ করে। এর বীজ ও গুঁড়ো দিয়ে খইও বানানো হয়। শাপলা ভেজে খেতে খুবই সুস্বাদু এবং এতে পুষ্টিগুণও আছে। এর জলজ সবুজ ডাঁটায় আছে ভিটামিন, খনিজ এবং আঁশ।
111
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের গাঁড়া বিলের সাদা শাপলা ফুলের অপরূপ দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করে। সবুজে ঘেরা বিলের চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত ও আশেপাশে থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা।
স্থানীয়ভাবে এটি ‘গাঁড়া বিল’ নামে পরিচিত হলেও, পর্যটকদের কাছে ধীরে ধীরে ‘গাড়ি লেক’ নামেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
বিলের ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কোলাহল এবং দেশি মাছের আনাগোনা আশেপাশের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
সাদা শাপলা জাতীয় ফুল হিসেবে করার মূল কারণ হলো, এর সাদা রং বাংলাদেশের জনগণের প্রতীক হিসেবে ধরা হয় এবং এর পাপড়িগুলো দেশের মানুষকে একত্রিত করার প্রতীক। সাদা শাপলা মুদ্রা, নোট এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিলে জাতীয় ফুল শাপলার জলছাপ আঁকা থাকে। সারাবিশ্বে ৫০ প্রজাতির শাপলা থাকলেও বাংলাদেশে মাত্র ২ প্রজাতির শাপলা জন্মে— সাদা ও লাল রঙের শাপলা। সারাবছর দেশের খাল-বিল, হাওড়-বাঁওড় এবং পুকুরে প্রচুর শাপলা ফোটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরের আলোয় বিলের পানিতে শাপলার মাঝে সূর্যের প্রতিচ্ছবি এক অসাধারণ সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। ফুলগুলো সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত পানির ওপর ভেসে থাকে। এর গোলাকার সবুজ পাতায় সাদা ও লাল শাপলা দেখতে আরও মনোমুগ্ধকর লাগে।
দেশের বিভিন্ন জেলাতে শাপলা ফুলের ডাটা তরকারি হিসেবে খাওয়ার চল থাকলেও সিরাজগঞ্জ জেলার মানুষের সেটি তেমন একটা নেই। শখের বসে শিশুকিশোররা শাপলা তুলে থাকে, তবে খালবিল পরিষ্কার করে শাপলা তুলে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে অনেকসময় ব্যবহার হয়।
উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন, দেশে সারাবছরই শাপলা কমবেশি সব জায়গায় হয়, তবে বর্ষা ও শরৎকালে এর সংখ্যা বেশি। গ্রামের মানুষ শাপলাকে সবজি হিসেবে খেতে পছন্দ করে। এর বীজ ও গুঁড়ো দিয়ে খইও বানানো হয়। শাপলা ভেজে খেতে খুবই সুস্বাদু এবং এতে পুষ্টিগুণও আছে। এর জলজ সবুজ ডাঁটায় আছে ভিটামিন, খনিজ এবং আঁশ।