বিদেশমুখি স্বাস্থ্যসেবার পরিবর্তে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সুবিধা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন এগিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) একদল দেশবরেণ্য চিকিৎসক ও তরুণ উদ্যোক্তা সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করেন।
দলের নেতৃত্ব দেন প্রফেসর ডা. মো. শফিকুল ইসলাম (প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান, নিউরোমেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল) এবং অধ্যাপক ডা. মো. গোলাম আজম (বিভাগীয় প্রধান, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিভাগ, বারডেম)। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন বিশিষ্ট চিকিৎসক, যাদের মধ্যে সিরাজগঞ্জের কৃতিসন্তান চিকিৎসকরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
হাসপাতালের জন্য ইকোনমিক জোনের ভেতরে থাকা ২০ একর জায়গা পরিদর্শন করেন।
এছাড়া পরিদর্শনে অংশ নেন একঝাঁক তরুণ উদ্যোক্তা, যারা সিরাজগঞ্জে একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন।

তাদের সম্মানার্থে সারাদিনব্যাপী সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন, পাওয়ার প্ল্যান্ট, সোলার প্ল্যান্ট ও বিসিক শিল্প পার্কে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রফেসর ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই মানুষ যেন বিদেশে না গিয়ে এখানেই বিশ্বমানের চিকিৎসা পায়। সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু স্থানীয় জনগণই নয়, সারা উত্তরাঞ্চল উপকৃত হবে।”
ডা. মো. গোলাম আজম বলেন, “চিকিৎসা খাতে বিনিয়োগ এখন সময়ের দাবি। এখানে একটি আধুনিক হাসপাতাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প গড়ে উঠলে স্বাস্থ্যসেবায় যেমন নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে, তেমনি কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
ইকোনমিক জোনের পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন এই সফরের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, “দেশের বরেণ্য চিকিৎসক ও উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনকে আরও এগিয়ে নিতে প্রেরণা যোগাবে। ইনশাআল্লাহ, আর অল্প কিছু বছরের মধ্যেই সিরাজগঞ্জ হবে একটি সমৃদ্ধ শিল্প শহর। এখানেই থাকবে কর্মসংস্থানসহ বিশ্বমানের নানা সু্বিধা।”
ডা. মো. শফিকুল ইসলাম ও ডা. মো. গোলাম আজম ইকোনমিক জোনের নানা সুযোগ সুবিধা ঘুরে দেখেন এবং হাসপাতাল করার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু স্বাস্থ্যসেবায় নয়, শিল্পায়নেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
ছবি- জিল্লুর তালুকদার
Tags: সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন, সিরাজগঞ্জ হাসপাতাল