সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের সঙ্গে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি’র প্রতিনিধিদলের একটি কার্যকর ভবিষ্যতমুখী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উভয়ের পারস্পরিক সহযোগিতা, যৌথ অগ্রগতি এবং আর্থিক খাতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
আজ (১১ আগস্ট) সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের ঢাকা অফিসে বৈঠকটি হয়েছে।
ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন ইউনিট হেড আবরার জামান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আবু সালেস, ইউনিট হেড (করপোরেট কার্ডস সেলস অ্যান্ড অ্যালায়েন্স) মো. সানিমুল হক ভূঁইয়া, অফিসার (ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস) মো. কায়সারুল আলম আদনান এবং সিনিয়র রিলেশনশিপ ম্যানেজার কিংশুক গাঙ্গুলি।
সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা শাওন মাহমুদ।
বৈঠকে টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব জোরদার ও ডিজিটাল আর্থিক সমাধানের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য, যমুনা সেতুমুখী মহাসড়কে গিয়ে সেতু পাড় হয়ে দক্ষিণে সদর উপজেলার খাসবড়শিমুল, পঞ্চসোনা, চকবয়রা এবং বেলকুচি উপজেলার বেলছুটি ও বড়বেরা খারুয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘সিরাজগঞ্জ ইকোনোমিক জোন’। ১০৪২ একর জায়গায় গড়ে উঠছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। উদ্যোক্তাদের দাবি, এটি বেসরকারি খাতে দেশের বৃহৎ ও গ্রিন ইকোনমিক জোন।
এই ইকোনমিক জোনে জায়গা পাবে প্রায় চার শতাধিক কোম্পানি। বড় জায়গা রাখা হয়েছে বিদেশি উদ্যোক্তাদের জন্যও। সব কলকারখানা চালু হলে এখানে পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আরও প্লট বরাদ্দ চলছে। আর সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে অনেক নামকরা কোম্পানি ইতিমধ্যে জমি বরাদ্দ পেয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে— অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, কন্টিনেন্টাল গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, ডায়নামিক ড্রেজিং, নিট এশিয়া, এমকে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, রাতুল ফ্যাব্রিক, অ্যাকটিভ কম্পোজিট মিলস, রাইজিং হোল্ডিংস, রাইজিং স্পিনিং মিলস, মেরিনা প্রপার্টিজ, টেক্সট টাউন, স্কয়ার এক্সেসরিজ এবং স্কয়ার ইলেকট্রনিক্স।
Tags: বিনিয়োগ, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন