সিরাজগঞ্জে খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ৯১টি অভিযান পরিচালনা করেছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। এ সময়ে দায়ের করা হয়েছে ১৯০টি মামলা এবং আদায় হয়েছে মোট ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জেলার নয়টি উপজেলায় নিয়মিত এসব অভিযান পরিচালিত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযান হয়েছে সদর উপজেলায়। সেখানে ২৭টি অভিযানে ৪৯টি মামলায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বেলকুচি উপজেলায় ১৯টি অভিযানে ৬১টি মামলায় আদায় হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এককভাবে আদায় হয়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা। কাজীপুরে ৫টি অভিযানে ৬৭ হাজার, রায়গঞ্জে ১৭টি অভিযানে ৮২ হাজার, উল্লাপাড়ায় ৬টি অভিযানে ৫৮ হাজার, শাহজাদপুরে ১টি অভিযানে ১ হাজার ৫০০ এবং কামারখন্দে ৯টি অভিযানে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তবে তাড়াশ ও চৌহালী উপজেলায় এ সময় কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি। সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন বলেন, শুধু অভিযান নয়, জনগণকে সচেতন করাই ভেজাল প্রতিরোধের কার্যকর উপায়। এজন্য নিয়মিত মনিটরিং, আইন প্রয়োগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
61
সিরাজগঞ্জে খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ৯১টি অভিযান পরিচালনা করেছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। এ সময়ে দায়ের করা হয়েছে ১৯০টি মামলা এবং আদায় হয়েছে মোট ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জেলার নয়টি উপজেলায় নিয়মিত এসব অভিযান পরিচালিত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযান হয়েছে সদর উপজেলায়। সেখানে ২৭টি অভিযানে ৪৯টি মামলায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বেলকুচি উপজেলায় ১৯টি অভিযানে ৬১টি মামলায় আদায় হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এককভাবে আদায় হয়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা।
কাজীপুরে ৫টি অভিযানে ৬৭ হাজার, রায়গঞ্জে ১৭টি অভিযানে ৮২ হাজার, উল্লাপাড়ায় ৬টি অভিযানে ৫৮ হাজার, শাহজাদপুরে ১টি অভিযানে ১ হাজার ৫০০ এবং কামারখন্দে ৯টি অভিযানে ৫১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
তবে তাড়াশ ও চৌহালী উপজেলায় এ সময় কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি।
সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন বলেন, শুধু অভিযান নয়, জনগণকে সচেতন করাই ভেজাল প্রতিরোধের কার্যকর উপায়। এজন্য নিয়মিত মনিটরিং, আইন প্রয়োগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।