সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে আবারও তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন এলাকার অবস্থান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাছাকাছি। এতে বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার জনতা উচ্চ বিদ্যালয় ও খাষপুকুরিয়া পয়েন্টে প্রায় চার বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এ ভাঙন দেখা দেয়। বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় খাষকাউলিয়া, পয়লা, হিজুলিয়া, কাঁঠালিয়া, দত্তকান্দি ও শাকপালসহ ছয়টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চৌহালী ও খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকার ফসলি জমি, ঘর-বাড়ি, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, তারা রাতে ঘুমাতে পারছেন না। শুক্রবার গভীর রাতে ভাঙনের ফলে কিছু ঘর-বাড়ি এবং ফসলি জমি মুহূর্তেই নদীগর্ভে চলে গেছে। নদীর গতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে এবং কোটি টাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত ৩-৪ বছরে শুধু চৌহালীর যমুনার এই পয়েন্টেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৪০০ ঘরবাড়ি এবং ২০০ বিঘা আবাদি জমি। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ পারভেজ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে জানান, প্রায় ২০০০ মিটার এলাকা ও বেশ কিছু বসত নদীতে বিলীন হয়েছে। দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, চৌহালী ও এনায়েতপুর নদীকে ভাঙন থেকে রক্ষা করার জন্য একটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভাঙন কবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে।
109
সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে আবারও তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন এলাকার অবস্থান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাছাকাছি। এতে বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার জনতা উচ্চ বিদ্যালয় ও খাষপুকুরিয়া পয়েন্টে প্রায় চার বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এ ভাঙন দেখা দেয়।
বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় খাষকাউলিয়া, পয়লা, হিজুলিয়া, কাঁঠালিয়া, দত্তকান্দি ও শাকপালসহ ছয়টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চৌহালী ও খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকার ফসলি জমি, ঘর-বাড়ি, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, তারা রাতে ঘুমাতে পারছেন না। শুক্রবার গভীর রাতে ভাঙনের ফলে কিছু ঘর-বাড়ি এবং ফসলি জমি মুহূর্তেই নদীগর্ভে চলে গেছে। নদীর গতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে এবং কোটি টাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গত ৩-৪ বছরে শুধু চৌহালীর যমুনার এই পয়েন্টেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৪০০ ঘরবাড়ি এবং ২০০ বিঘা আবাদি জমি।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ পারভেজ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে জানান, প্রায় ২০০০ মিটার এলাকা ও বেশ কিছু বসত নদীতে বিলীন হয়েছে। দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, চৌহালী ও এনায়েতপুর নদীকে ভাঙন থেকে রক্ষা করার জন্য একটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভাঙন কবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে।