সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে বিদ্যুৎ সেবায় অচলাবস্থার শঙ্কা দেখা দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে। এরফলে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) থেকে সিরাজগঞ্জসহ দেশের সব অফিসে এ কর্মবিরতি কার্যকর হয়েছে। এতে জরুরি মেরামত, লাইন সংযোগ, বিল আদায়সহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণ ভোক্তারা বলছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় হলে তাদের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড (আরইবি) গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, নন-স্ট্যান্ডার্ড লাইন নির্মাণ এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে জনসাধারণ ভোগান্তিতে পড়ছে। অথচ দায়ভার বহন করতে হচ্ছে সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। তারা আরও বলেন, ২০২৪ সাল থেকে আন্দোলন চালালেও সমাধান হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগ নানা সময় কমিটি গঠন করলেও রিপোর্ট দাখিলে গড়িমসি এবং বাস্তবায়নের অনীহা থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। এমনকি ডিসি সম্মেলন-২০২৫ এ বিআরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একীভূতকরণের প্রস্তাব থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো বিপর্যয় দেখা দিলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার থাকবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ওপর।
80
সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে বিদ্যুৎ সেবায় অচলাবস্থার শঙ্কা দেখা দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে। এরফলে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) থেকে সিরাজগঞ্জসহ দেশের সব অফিসে এ কর্মবিরতি কার্যকর হয়েছে। এতে জরুরি মেরামত, লাইন সংযোগ, বিল আদায়সহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণ ভোক্তারা বলছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় হলে তাদের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড (আরইবি) গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, নন-স্ট্যান্ডার্ড লাইন নির্মাণ এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে জনসাধারণ ভোগান্তিতে পড়ছে। অথচ দায়ভার বহন করতে হচ্ছে সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
তারা আরও বলেন, ২০২৪ সাল থেকে আন্দোলন চালালেও সমাধান হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগ নানা সময় কমিটি গঠন করলেও রিপোর্ট দাখিলে গড়িমসি এবং বাস্তবায়নের অনীহা থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। এমনকি ডিসি সম্মেলন-২০২৫ এ বিআরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একীভূতকরণের প্রস্তাব থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো বিপর্যয় দেখা দিলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার থাকবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ওপর।