সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের প্রতাবদিঘী এলাকার আড়াই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার স্রোতের নালায় পরিণত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ১০ গ্রামের হাজার বাসিন্দা। প্রতিবাদ জানাতে স্থানীয়রা ওই কাদা রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করেছেন। সরেজমিনে এ তথ্য দেখা গেছে। দীর্ঘদিন সংস্কারহীন এই কাঁচা রাস্তাটি খিরিতলা বাজারের রেখার মোড় থেকে প্রতাবদিঘী পর্যন্ত বিস্তৃত। বৃষ্টির পানি জমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটেও পার হওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। জঙ্গলপাড়া গ্রামের শিক্ষার্থী মামুন বলেন, 'বৃষ্টি হলে এই রাস্তায় হাঁটা যায় না, কলেজ ও কোচিং-এ যেতে কাপড় কয়েকবার নোংরা হয়। রাস্তা পাকা করলে খুবই উপকার হয়।' স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের জানান, 'এই রাস্তা দিয়ে হাট-বাজারগামী মানুষদের চলাচল করতে হয়। এছাড়া শিক্ষার্থী, রোগী, মসজিদ-মাদ্রাসার মুসল্লী চলাচল করে, এমনকি কবরস্থানে মরদেহ পর্যন্ত নিতে হয়। অথচ এটি এখনও কাঁচা পড়ে আছে।' ধামাইনগর, প্রতাবদিঘী, দৌলতপুর, ফুলতলা, মির্জাপুর, বাটকামারি, হলদিবাড়ী, সোনাকান্দর, ধলজান ও জঙ্গলপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও রাস্তাটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ চরমে ওঠে। ধামাইনগর ইউপি চেয়ারম্যান রাইসুল ইসলাম সুমন বলেন, 'আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের সংযোগ সড়ক হিসেবে রাস্তাটির পাকাকরণের আবেদন করাইতোমধ্যে রায়গঞ্জ উপজেলা এলজিইডি অফিসের আইডিভুক্ত হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে।' এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম বলেন, “আমি সদ্য এখানে যোগদান করেছি। তবে রাস্তাটি যদি আইডিভুক্ত হয়ে থাকে, তাহলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এর পাকাকরণের কাজ শুরু করা হবে।”
37
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের প্রতাবদিঘী এলাকার আড়াই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার স্রোতের নালায় পরিণত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ১০ গ্রামের হাজার বাসিন্দা। প্রতিবাদ জানাতে স্থানীয়রা ওই কাদা রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করেছেন।
সরেজমিনে এ তথ্য দেখা গেছে।
দীর্ঘদিন সংস্কারহীন এই কাঁচা রাস্তাটি খিরিতলা বাজারের রেখার মোড় থেকে প্রতাবদিঘী পর্যন্ত বিস্তৃত। বৃষ্টির পানি জমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটেও পার হওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জঙ্গলপাড়া গ্রামের শিক্ষার্থী মামুন বলেন, ‘বৃষ্টি হলে এই রাস্তায় হাঁটা যায় না, কলেজ ও কোচিং-এ যেতে কাপড় কয়েকবার নোংরা হয়। রাস্তা পাকা করলে খুবই উপকার হয়।’
স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের জানান, ‘এই রাস্তা দিয়ে হাট-বাজারগামী মানুষদের চলাচল করতে হয়। এছাড়া শিক্ষার্থী, রোগী, মসজিদ-মাদ্রাসার মুসল্লী চলাচল করে, এমনকি কবরস্থানে মরদেহ পর্যন্ত নিতে হয়। অথচ এটি এখনও কাঁচা পড়ে আছে।’
ধামাইনগর, প্রতাবদিঘী, দৌলতপুর, ফুলতলা, মির্জাপুর, বাটকামারি, হলদিবাড়ী, সোনাকান্দর, ধলজান ও জঙ্গলপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও রাস্তাটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ চরমে ওঠে।
ধামাইনগর ইউপি চেয়ারম্যান রাইসুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের সংযোগ সড়ক হিসেবে রাস্তাটির পাকাকরণের আবেদন করাইতোমধ্যে রায়গঞ্জ উপজেলা এলজিইডি অফিসের আইডিভুক্ত হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম বলেন, “আমি সদ্য এখানে যোগদান করেছি। তবে রাস্তাটি যদি আইডিভুক্ত হয়ে থাকে, তাহলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এর পাকাকরণের কাজ শুরু করা হবে।”