সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ফুলজোড় নদী রোববার বিকেলে যেনো উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। নদীর দুই তীরে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে ভিড় জমায় হাজারো দর্শক। বাদ্য-বাজনার তালে তালে বৈঠা চালাতে চালাতে নৌকার মাঝিদের জারি ও সারিগান, আর দর্শকদের উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। প্রাণবন্ত এই পরিবেশে শুরু হয় রামকান্তপুর ঘাটের বার্ষিক পানসি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। রামকান্তপুর যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা চার দিনব্যাপী চলবে। এর তৃতীয় দিনে রোববার ১৪টি পানসি অংশ নেয়। এ বছর আয়োজকদের আমন্ত্রণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ৪০টি পানসি নৌকা দলকে প্রতিযোগিতায় আহ্বান জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যেই পাবনা ও সিরাজগঞ্জের কয়েকটি নামকরা পানসি দল অংশ নিয়েছে। অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে রয়েছে– শেরে বাংলা ভিটাপাড়া, কৈবর্ত্তগাতী নিউ একতা, নিউ শেরে বাংলা ভিটাপাড়া, নিউ উড়ন্ত বলাকা, নিউ একতা চ্যালেঞ্জার, বস্তাল একতা এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, নিউ বাংলার বাঘ, নিউ শাড়ির ভিটা এক্সেস, এলংজানী এস, দুরন্ত গোহালা, বিজয় বাংলা প্রভৃতি। পূর্ব দেলুয়া গ্রামের বিজয় বাংলা পানসি নৌকার বাইচাল কাওসার আহমেদ জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে তারা বৈঠা চালাচ্ছেন। জারি-সারি গানের তালে বৈঠা মারতে গিয়ে হাজারো দর্শকের উল্লাস শুনে এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয় তাদের। তাদের ভাষায়—“পুরস্কার নিয়ে বাড়ি ফেরা যে আনন্দ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।” বাইচের নিয়মিত দর্শক তাজুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই এই নদীতে নৌকাবাইচ দেখে আসছেন। নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় আর মাঝিদের সম্মিলিত সুরে বৈঠা চালানোর দৃশ্য সত্যিই মন ভরিয়ে দেয়। শ্রীবাড়ীর আলী হোসেন, নাজিম উদ্দিন ও ভাবকি গ্রামের নবীও জানান, যেখানেই নৌকাবাইচের খবর পান সেখানেই ছুটে যান। পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, আগের মতো সর্বত্র এখন আর নৌকাবাইচ হয় না। তবে রামকান্তপুর ও কালীগঞ্জের মানুষ এ ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছেন। এ আয়োজনে প্রতিদিন ১০-১৫ হাজার মানুষের সমাগম প্রমাণ করে, নৌকাবাইচ এখনো গ্রামীণ বিনোদনের এক অনন্য মাধ্যম।
79
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ফুলজোড় নদী রোববার বিকেলে যেনো উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। নদীর দুই তীরে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে ভিড় জমায় হাজারো দর্শক। বাদ্য-বাজনার তালে তালে বৈঠা চালাতে চালাতে নৌকার মাঝিদের জারি ও সারিগান, আর দর্শকদের উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। প্রাণবন্ত এই পরিবেশে শুরু হয় রামকান্তপুর ঘাটের বার্ষিক পানসি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।
রামকান্তপুর যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা চার দিনব্যাপী চলবে। এর তৃতীয় দিনে রোববার ১৪টি পানসি অংশ নেয়। এ বছর আয়োজকদের আমন্ত্রণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ৪০টি পানসি নৌকা দলকে প্রতিযোগিতায় আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইতোমধ্যেই পাবনা ও সিরাজগঞ্জের কয়েকটি নামকরা পানসি দল অংশ নিয়েছে। অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে রয়েছে– শেরে বাংলা ভিটাপাড়া, কৈবর্ত্তগাতী নিউ একতা, নিউ শেরে বাংলা ভিটাপাড়া, নিউ উড়ন্ত বলাকা, নিউ একতা চ্যালেঞ্জার, বস্তাল একতা এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, নিউ বাংলার বাঘ, নিউ শাড়ির ভিটা এক্সেস, এলংজানী এস, দুরন্ত গোহালা, বিজয় বাংলা প্রভৃতি।
পূর্ব দেলুয়া গ্রামের বিজয় বাংলা পানসি নৌকার বাইচাল কাওসার আহমেদ জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে তারা বৈঠা চালাচ্ছেন। জারি-সারি গানের তালে বৈঠা মারতে গিয়ে হাজারো দর্শকের উল্লাস শুনে এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয় তাদের। তাদের ভাষায়—“পুরস্কার নিয়ে বাড়ি ফেরা যে আনন্দ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”
বাইচের নিয়মিত দর্শক তাজুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই এই নদীতে নৌকাবাইচ দেখে আসছেন। নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় আর মাঝিদের সম্মিলিত সুরে বৈঠা চালানোর দৃশ্য সত্যিই মন ভরিয়ে দেয়। শ্রীবাড়ীর আলী হোসেন, নাজিম উদ্দিন ও ভাবকি গ্রামের নবীও জানান, যেখানেই নৌকাবাইচের খবর পান সেখানেই ছুটে যান।
পঞ্চক্রোশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, আগের মতো সর্বত্র এখন আর নৌকাবাইচ হয় না। তবে রামকান্তপুর ও কালীগঞ্জের মানুষ এ ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছেন। এ আয়োজনে প্রতিদিন ১০-১৫ হাজার মানুষের সমাগম প্রমাণ করে, নৌকাবাইচ এখনো গ্রামীণ বিনোদনের এক অনন্য মাধ্যম।