সলঙ্গায় নবজাতক চুরির মামলায় এক নারীর ১৪ বছরের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
সলঙ্গায় নবজাতক চুরির মামলায় এক নারীর ১৪ বছরের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নবজাতক চুরির মামলায় আলপনা খাতুন নামে এক নারীকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। সলঙ্গায় নবজাতক চুরির মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আলপনা খাতুন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চরদোগাছি গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, “শিশু চুরি মামলায় আলপনা খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। বাকি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।” মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ গ্রামের মাজেদ আলীর স্ত্রী সবিতা খাতুন সন্তান প্রসবের ব্যথা অনুভব করলে সিরাজগঞ্জ রোড গোলচক্কর এলাকার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিনি এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। ওই দিন বিকেলে হাসপাতাল থেকে নবজাতকটিকে চুরি করে নিয়ে যায় আলপনা খাতুন। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে। রাতে কামারখন্দ উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সোলাইমান হোসেনের বাড়ি থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় আলপনা খাতুনসহ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির পিতা মাজেদ আলী বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
98
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নবজাতক চুরির মামলায় আলপনা খাতুন নামে এক নারীকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। সলঙ্গায় নবজাতক চুরির মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, “শিশু চুরি মামলায় আলপনা খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। বাকি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।”
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ গ্রামের মাজেদ আলীর স্ত্রী সবিতা খাতুন সন্তান প্রসবের ব্যথা অনুভব করলে সিরাজগঞ্জ রোড গোলচক্কর এলাকার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিনি এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।
ওই দিন বিকেলে হাসপাতাল থেকে নবজাতকটিকে চুরি করে নিয়ে যায় আলপনা খাতুন। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে। রাতে কামারখন্দ উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সোলাইমান হোসেনের বাড়ি থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় আলপনা খাতুনসহ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটির পিতা মাজেদ আলী বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।