আনন্দঘন পরিবেশে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে লক্ষীপূজা। পূজা কমিটির নেতৃত্বে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের অন্যতম আয়োজক ছিলেন স্থানীয় গ্রামবাসী। গত ২০ বছর ধরে ঘুড়কার জমজমাট লক্ষীপূজা দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। এবারও কোজাগরী পূর্ণিমা উপলক্ষে ঘুড়কা গ্রামে জাঁকজমকপূর্ণভাবে লক্ষীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ফুলজোড় নদী, যা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকেও সমৃদ্ধ। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, বগুড়া, নওগাঁ, পাবনা, ঢাকা ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা ঘুড়কার জমজমাট লক্ষীপূজা দেখতে আসেন। দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুড়কা গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস বেশি হওয়ায় প্রতি বছরই তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো অন্যরকম উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ ধরনের আয়োজনে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের সহযোগিতাও প্রশংসনীয়। প্রশাসনের সহযোগিতা, আলোকসজ্জা ও স্থানীয়দের আতিথেয়তায় পূজার আয়োজন আরও বর্ণিল হয়ে ওঠে। দিন দিন এখানে পূজার সংখ্যা বাড়ছে। দুই দিনব্যাপী এ উৎসব উপভোগ করতে দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের পদচারণায় গ্রামটি উৎসবে পরিণত হয়। এ বছর গ্রামে মোট ৩০টি লক্ষীপূজার আয়োজন করা হয়। ঘুড়কা দুর্গা মন্দিরের সভাপতি গৌতম কুমার কুন্ডু এবং ক্যাত্যয়নী মন্দিরের সভাপতি প্রদীপ কুমার দাস জানান, সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে এবারের পূজা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীতেও একই আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
88
আনন্দঘন পরিবেশে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে লক্ষীপূজা। পূজা কমিটির নেতৃত্বে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের অন্যতম আয়োজক ছিলেন স্থানীয় গ্রামবাসী। গত ২০ বছর ধরে ঘুড়কার জমজমাট লক্ষীপূজা দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। এবারও কোজাগরী পূর্ণিমা উপলক্ষে ঘুড়কা গ্রামে জাঁকজমকপূর্ণভাবে লক্ষীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ফুলজোড় নদী, যা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকেও সমৃদ্ধ। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, বগুড়া, নওগাঁ, পাবনা, ঢাকা ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা ঘুড়কার জমজমাট লক্ষীপূজা দেখতে আসেন। দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুড়কা গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাস বেশি হওয়ায় প্রতি বছরই তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো অন্যরকম উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ ধরনের আয়োজনে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের সহযোগিতাও প্রশংসনীয়।
প্রশাসনের সহযোগিতা, আলোকসজ্জা ও স্থানীয়দের আতিথেয়তায় পূজার আয়োজন আরও বর্ণিল হয়ে ওঠে। দিন দিন এখানে পূজার সংখ্যা বাড়ছে। দুই দিনব্যাপী এ উৎসব উপভোগ করতে দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের পদচারণায় গ্রামটি উৎসবে পরিণত হয়।
এ বছর গ্রামে মোট ৩০টি লক্ষীপূজার আয়োজন করা হয়। ঘুড়কা দুর্গা মন্দিরের সভাপতি গৌতম কুমার কুন্ডু এবং ক্যাত্যয়নী মন্দিরের সভাপতি প্রদীপ কুমার দাস জানান, সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে এবারের পূজা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীতেও একই আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।