যমুনার পাড়ে কাশফুলের সাদা সম্রাজ্য, দর্শনার্থীদের ভিড়
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
যমুনার পাড়ে কাশফুলের সাদা সম্রাজ্য, দর্শনার্থীদের ভিড়
সিরাজগঞ্জের যমুনার পাড়ে শরৎকাল এলেই ফুটে ওঠে প্রচুর কাশফুল। সাদা বকের পালকের মতো কোমল ফুলগুলো বাতাসে দুলছে, যেন সবুজের সমুদ্রে সাদা চাদর বিছানো হয়েছে। চর-মালশাপাড়া (কাটাওয়াবদা) ক্রসবার-৩ এলাকায় এই কাশফুলের সৌন্দর্য পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে কাশফুলের বাগান বিস্তৃত। লম্বা সবুজ পাতার বুক চিড়ে ফুটে ওঠা সাদা থোকা থোকা ফুল যেন শহরের ভিড়ে এক শান্তিপ্রিয় স্বর্গের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিকেল হলেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ তরুণী, শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে। বেলকুচি থেকে আসা ব্যবসায়ী সোহেল বলেন, 'গরমের মধ্যেও নদীর ঠান্ডা হাওয়া আর সাদা কাশফুলের দৃশ্য সত্যিই মনে রাখার মতো। মনটা ভাল হয়ে গেছে এখানে এসে, পরিবার নিয়ে আসতে পারলে আরও ভাল লাগতো। তাদের জন্য কিছু কাশফুল নিয়ে যাচ্ছি আর ছবি ও ভিডিও করে নিয়ে যাচ্ছি।' কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছে, কেউ দু-চারটি ফুল ছিঁড়ে তোড়া বানিয়ে প্রিয়জনকে উপহার দিচ্ছে। ঘুরতে আসা সিরাজগঞ্জ শহরের নিশি বলেন, 'ছবি তোলার জন্য দারুণ জায়গা আর কত কম্পোজিশন! ইচ্ছে করে প্রতিদিনই আসি।' স্থানীয়রা জানান, ভাদ্র মাসের শেষের দিকে কাশফুল ফুটতে শুরু করে এবং পুরো এলাকা সাদা হয়ে যায়। কার্তিক মাস পর্যন্ত এই সৌন্দর্য টিকে থাকে। একই জায়গায় নৌকা ভ্রমণ, চায়না বাঁধের বায়ুকল দেখার পাশাপাশি প্রকৃতি ও শহরের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা এই দৃশ্য কাশফুলের সাদা সম্রাজ্যকে এক পর্যটন আকর্ষণে পরিণত করেছে। প্রতিদিন বিকেলে আসা মানুষরা যেন এই সাদা সৌন্দর্যের মধ্যে হারিয়ে যেতে চায়।
290
সিরাজগঞ্জের যমুনার পাড়ে শরৎকাল এলেই ফুটে ওঠে প্রচুর কাশফুল। সাদা বকের পালকের মতো কোমল ফুলগুলো বাতাসে দুলছে, যেন সবুজের সমুদ্রে সাদা চাদর বিছানো হয়েছে। চর-মালশাপাড়া (কাটাওয়াবদা) ক্রসবার-৩ এলাকায় এই কাশফুলের সৌন্দর্য পর্যটক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে কাশফুলের বাগান বিস্তৃত। লম্বা সবুজ পাতার বুক চিড়ে ফুটে ওঠা সাদা থোকা থোকা ফুল যেন শহরের ভিড়ে এক শান্তিপ্রিয় স্বর্গের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিকেল হলেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণ তরুণী, শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে।
বেলকুচি থেকে আসা ব্যবসায়ী সোহেল বলেন, ‘গরমের মধ্যেও নদীর ঠান্ডা হাওয়া আর সাদা কাশফুলের দৃশ্য সত্যিই মনে রাখার মতো। মনটা ভাল হয়ে গেছে এখানে এসে, পরিবার নিয়ে আসতে পারলে আরও ভাল লাগতো। তাদের জন্য কিছু কাশফুল নিয়ে যাচ্ছি আর ছবি ও ভিডিও করে নিয়ে যাচ্ছি।’
কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছে, কেউ দু-চারটি ফুল ছিঁড়ে তোড়া বানিয়ে প্রিয়জনকে উপহার দিচ্ছে।
ঘুরতে আসা সিরাজগঞ্জ শহরের নিশি বলেন, ‘ছবি তোলার জন্য দারুণ জায়গা আর কত কম্পোজিশন! ইচ্ছে করে প্রতিদিনই আসি।’
স্থানীয়রা জানান, ভাদ্র মাসের শেষের দিকে কাশফুল ফুটতে শুরু করে এবং পুরো এলাকা সাদা হয়ে যায়। কার্তিক মাস পর্যন্ত এই সৌন্দর্য টিকে থাকে।
একই জায়গায় নৌকা ভ্রমণ, চায়না বাঁধের বায়ুকল দেখার পাশাপাশি প্রকৃতি ও শহরের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা এই দৃশ্য কাশফুলের সাদা সম্রাজ্যকে এক পর্যটন আকর্ষণে পরিণত করেছে। প্রতিদিন বিকেলে আসা মানুষরা যেন এই সাদা সৌন্দর্যের মধ্যে হারিয়ে যেতে চায়।