সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার যমুনা নদীর মেঘাই দুই নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ঘোড়ার মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা ঘোড়ার মাংস জনসম্মুখে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশ ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন। আটক ও দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি নশিপুর এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম এবং গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী পেয়ারা বাগান এলাকার মৃত আবুর ছেলে তারেক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, একটি মিনি পিকআপভ্যানে করে ঘোড়ার মাংস ঢাকার দিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘাই দুই নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পিকআপভ্যানসহ বিপুল পরিমাণ ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয় এবং দুইজনকে আটক করা হয়। পরে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ২৪(১) ধারা অনুযায়ী জাহিদুল ইসলামকে ১৫ হাজার টাকা এবং তারেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত ঘোড়ার মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় জনসম্মুখে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অবৈধ ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
60
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার যমুনা নদীর মেঘাই দুই নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ঘোড়ার মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা ঘোড়ার মাংস জনসম্মুখে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।
শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশ ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
আটক ও দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি নশিপুর এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম এবং গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী পেয়ারা বাগান এলাকার মৃত আবুর ছেলে তারেক।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, একটি মিনি পিকআপভ্যানে করে ঘোড়ার মাংস ঢাকার দিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘাই দুই নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পিকআপভ্যানসহ বিপুল পরিমাণ ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয় এবং দুইজনকে আটক করা হয়।
পরে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ২৪(১) ধারা অনুযায়ী জাহিদুল ইসলামকে ১৫ হাজার টাকা এবং তারেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত ঘোড়ার মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় জনসম্মুখে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অবৈধ ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।