শাহজাদপুরে বন্যায় ডুবেছে গো-চারণ ভূমি, দুধ উৎপাদন কমেছে
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শাহজাদপুরে বন্যায় ডুবেছে গো-চারণ ভূমি, দুধ উৎপাদন কমেছে
সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পাড়ের ও চলনবিলের কিছু অঞ্চলের বিশাল ফসলি জমি ও গো-চারণ ভূমি বন্যায় ডুবে গেছে। জেলার শাহজাদপুরসহ পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জের ৮ উপজেলার প্রায় ৪৫ হাজার হেক্টর ফসলের মাঠ ও গো-চারণ ভূমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে গো-খামারিরা পড়েছেন চরম বিপাকে। প্রাণীসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধু শাহজাদপুর উপজেলাতেই রয়েছে প্রায় ৭ হাজার গবাদি খামার। তবে বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি। বন্যার পানিতে চারণভূমি ডুবে যাওয়ায় খামারিরা গবাদিপশু নিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। এতে কাঁচা ঘাসের অভাব দেখা দিয়েছে, ফলে দুধ উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে। খামারিদের অভিযোগ, দানাদার খাবারের দামও অনেক বেশি। বর্তমানে ৪৫ থেকে ৫০ টাকার নিচে কোনো পশুখাদ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এতে একদিকে গো-খাদ্যের সংকট, অন্যদিকে ব্যয়বহুল খাদ্য খামারিদের দারুণভাবে বিপদে ফেলেছে। শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিল্লাল হোসেন জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় গো-খাদ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। খামারিদের তিনি সাইলেজ খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে দুধ উৎপাদন বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সরকারি সহযোগিতা পাওয়া গেলে তা দ্রুত খামারিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক জানান, জেলার সব চারণভূমি পানিতে তলিয়ে যায়নি। তবে গো-খাদ্যের চাহিদার বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। সাহায্য পেলে তা ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।
92
সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পাড়ের ও চলনবিলের কিছু অঞ্চলের বিশাল ফসলি জমি ও গো-চারণ ভূমি বন্যায় ডুবে গেছে। জেলার শাহজাদপুরসহ পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জের ৮ উপজেলার প্রায় ৪৫ হাজার হেক্টর ফসলের মাঠ ও গো-চারণ ভূমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে গো-খামারিরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
প্রাণীসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধু শাহজাদপুর উপজেলাতেই রয়েছে প্রায় ৭ হাজার গবাদি খামার। তবে বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি। বন্যার পানিতে চারণভূমি ডুবে যাওয়ায় খামারিরা গবাদিপশু নিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। এতে কাঁচা ঘাসের অভাব দেখা দিয়েছে, ফলে দুধ উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে।
খামারিদের অভিযোগ, দানাদার খাবারের দামও অনেক বেশি। বর্তমানে ৪৫ থেকে ৫০ টাকার নিচে কোনো পশুখাদ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এতে একদিকে গো-খাদ্যের সংকট, অন্যদিকে ব্যয়বহুল খাদ্য খামারিদের দারুণভাবে বিপদে ফেলেছে।
শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিল্লাল হোসেন জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় গো-খাদ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। খামারিদের তিনি সাইলেজ খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে দুধ উৎপাদন বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সরকারি সহযোগিতা পাওয়া গেলে তা দ্রুত খামারিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক জানান, জেলার সব চারণভূমি পানিতে তলিয়ে যায়নি। তবে গো-খাদ্যের চাহিদার বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। সাহায্য পেলে তা ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।