কামারখন্দে প্রতিবন্ধী যুবক হত্যায় আপন বোনসহ গ্রেপ্তার ৬
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
কামারখন্দে প্রতিবন্ধী যুবক হত্যায় আপন বোনসহ গ্রেপ্তার ৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এক কারখানার পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবক শামীম ইসলামের হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছোট বোনসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নিহত শামীমের ছোট বোন রেশমা খাতুন (২৫), পাশের বাড়ির ভাবি হাফিজা খাতুন (৪২), কারখানার নিরাপত্তাকর্মী গোলাম মোস্তফা (৫৫), সুমন চন্দ্র ভৌমিক (২৮), তপু সরকার (১৯) ও শফিকুল ইসলাম (৪০)। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিহত শামীমের ছোট বোন রেশমা খাতুন স্থানীয় এসিআই ফুড কারখানায় চাকরি করতেন। সেখানে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী গোলাম মোস্তফা, সুমন চন্দ্র ভৌমিক, তপু সরকার ও শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এক রাতে শামীম চুরির উদ্দেশ্যে কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে রেশমাকে ওই নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রেশমা খাতুন পাশের বাড়ির ভাবি হাফিজা খাতুনসহ অন্যদের নিয়ে শামীমকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২ জুলাই রাতে শামীমকে প্রথমে হাফিজা খাতুন কারখানার পাশে তার বাসায় নিয়ে যায় এবং রেশমাকে খবর দেয়। পরে রেশমা মুখোশ পরে অ্যাসিড হাতে আরও দুজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। এ সময় গোলাম মোস্তফা ও সুমন চন্দ্র ভৌমিক শামীমের হাত শক্ত করে ধরে রাখে এবং শফিকুল ইসলাম ছুরি দিয়ে তার বুকে আঘাত করে। এরপর রেশমা খাতুন অ্যাসিড ঢেলে শামীমের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তারা লাশ কারখানার পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রেশমা, হাফিজা, গোলাম মোস্তফা ও সুমন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
126
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এক কারখানার পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবক শামীম ইসলামের হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছোট বোনসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নিহত শামীমের ছোট বোন রেশমা খাতুন (২৫), পাশের বাড়ির ভাবি হাফিজা খাতুন (৪২), কারখানার নিরাপত্তাকর্মী গোলাম মোস্তফা (৫৫), সুমন চন্দ্র ভৌমিক (২৮), তপু সরকার (১৯) ও শফিকুল ইসলাম (৪০)।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিহত শামীমের ছোট বোন রেশমা খাতুন স্থানীয় এসিআই ফুড কারখানায় চাকরি করতেন। সেখানে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী গোলাম মোস্তফা, সুমন চন্দ্র ভৌমিক, তপু সরকার ও শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এক রাতে শামীম চুরির উদ্দেশ্যে কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে রেশমাকে ওই নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রেশমা খাতুন পাশের বাড়ির ভাবি হাফিজা খাতুনসহ অন্যদের নিয়ে শামীমকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২ জুলাই রাতে শামীমকে প্রথমে হাফিজা খাতুন কারখানার পাশে তার বাসায় নিয়ে যায় এবং রেশমাকে খবর দেয়। পরে রেশমা মুখোশ পরে অ্যাসিড হাতে আরও দুজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। এ সময় গোলাম মোস্তফা ও সুমন চন্দ্র ভৌমিক শামীমের হাত শক্ত করে ধরে রাখে এবং শফিকুল ইসলাম ছুরি দিয়ে তার বুকে আঘাত করে। এরপর রেশমা খাতুন অ্যাসিড ঢেলে শামীমের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তারা লাশ কারখানার পাশের ডোবায় ফেলে দেয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রেশমা, হাফিজা, গোলাম মোস্তফা ও সুমন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।