সিরাজগঞ্জে এডিস মশার বিস্তার ঘটছে উদ্বেগজনকভাবে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৩ জনে। সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ২ নারীসহ মোট ২৫৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২২৫ জন সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে বাকি রোগীরা শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল হাসপাতাল, খাঁজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা, কাজিপুর ও রায়গঞ্জ উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। এদিকে, সম্প্রতি সিভিল সার্জন অফিসের কীট তথ্য বিভাগ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল রোডে মোটরযান গ্যারেজসহ পৌর এলাকার একাধিক স্থানে এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত করেছে। বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে এবং প্রতিরোধে সব পৌরসভাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কীট বিশেষজ্ঞরা জানান, ট্রাক-বাস গ্যারেজ, ফুলের টব, জলাশয়, ড্রেন, টায়ার, ডাবের খোসা ও জমে থাকা পানিই এডিস মশার বংশবৃদ্ধির প্রধান কারণ। সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩টি টিম গঠন করা হয়েছে এবং নিয়মিতভাবে এডিস মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে সতর্কতামূলক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
70
সিরাজগঞ্জে এডিস মশার বিস্তার ঘটছে উদ্বেগজনকভাবে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৩ জনে।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ২ নারীসহ মোট ২৫৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২২৫ জন সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে বাকি রোগীরা শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল হাসপাতাল, খাঁজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা, কাজিপুর ও রায়গঞ্জ উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।
এদিকে, সম্প্রতি সিভিল সার্জন অফিসের কীট তথ্য বিভাগ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল রোডে মোটরযান গ্যারেজসহ পৌর এলাকার একাধিক স্থানে এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত করেছে। বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে এবং প্রতিরোধে সব পৌরসভাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কীট বিশেষজ্ঞরা জানান, ট্রাক-বাস গ্যারেজ, ফুলের টব, জলাশয়, ড্রেন, টায়ার, ডাবের খোসা ও জমে থাকা পানিই এডিস মশার বংশবৃদ্ধির প্রধান কারণ।
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩টি টিম গঠন করা হয়েছে এবং নিয়মিতভাবে এডিস মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে সতর্কতামূলক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।