চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা বাতিলের দাবিতে সিরাজগঞ্জে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা বাতিলের দাবিতে সিরাজগঞ্জে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের সমুদ্রবন্দরগুলো বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার গোপন চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। রবিবার বিকেল ৪টায় জেলা শহরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, জাতীয় স্বার্থবিরোধীভাবে বন্দর ইজারা দেওয়ার "নতুন চক্রান্ত" চলছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাম গণতান্ত্রিক জোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন। বক্তব্য দেন বাসদ জেলা শাখার আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, সিপিবি নেতা শহিদুল্লাহ সবুজ ও সুলতান আহমেদ, বাসদ নেতা পলাশ কুমার ঘোষ এবং সঞ্জয় কুমার গৌর। নেতারা বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দর জাতীয় অর্থনীতির মূল ভিত্তি। এমন কৌশলগত স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ জনগণের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। তারা দাবি করেন, জনমতের ওপর নির্ভর না করে “গোপন চুক্তির” মাধ্যমে বন্দর ইজারা দেওয়ার সকল প্রচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং ইতোমধ্যে যে চুক্তিগুলো করা হয়েছে সেগুলো বাতিল করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, দেশের সম্পদ রক্ষার জন্য সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় স্বার্থবিরোধী যে কোনো উদ্যোগ প্রতিরোধে জনগণই শেষ ভরসা—এ কথা স্মরণ করিয়ে তারা সবার প্রতি সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম বন্দরসহ নতুন করে আরও তিনটি বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেন।
64
চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের সমুদ্রবন্দরগুলো বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার গোপন চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।
রবিবার বিকেল ৪টায় জেলা শহরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, জাতীয় স্বার্থবিরোধীভাবে বন্দর ইজারা দেওয়ার “নতুন চক্রান্ত” চলছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাম গণতান্ত্রিক জোট সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন। বক্তব্য দেন বাসদ জেলা শাখার আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, সিপিবি নেতা শহিদুল্লাহ সবুজ ও সুলতান আহমেদ, বাসদ নেতা পলাশ কুমার ঘোষ এবং সঞ্জয় কুমার গৌর।
নেতারা বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দর জাতীয় অর্থনীতির মূল ভিত্তি। এমন কৌশলগত স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ জনগণের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। তারা দাবি করেন, জনমতের ওপর নির্ভর না করে “গোপন চুক্তির” মাধ্যমে বন্দর ইজারা দেওয়ার সকল প্রচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং ইতোমধ্যে যে চুক্তিগুলো করা হয়েছে সেগুলো বাতিল করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের সম্পদ রক্ষার জন্য সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় স্বার্থবিরোধী যে কোনো উদ্যোগ প্রতিরোধে জনগণই শেষ ভরসা—এ কথা স্মরণ করিয়ে তারা সবার প্রতি সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম বন্দরসহ নতুন করে আরও তিনটি বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেন।