জনবল সংকট: চৌহালীতে ১২৮ স্কুলের তদারকিতে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
জনবল সংকট: চৌহালীতে ১২৮ স্কুলের তদারকিতে একজন শিক্ষা কর্মকর্তা
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা শিক্ষা অফিস চরম জনবল সংকটে ভুগছে। দুর্গম চরাঞ্চল অধ্যুষিত এ উপজেলায় ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদারকিতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা। ১০টি প্রশাসনিক পদের মধ্যে ৮টি খালি থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা অফিস ও শিক্ষকদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রাজশাহী বিভাগের একমাত্র সরকারিভাবে দুর্গম ঘোষিত উপজেলা চৌহালীর ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রয়েছে প্রায় ২২ হাজার ১৫৯ শিক্ষার্থী। অথচ এসব বিদ্যালয় তদারকির জন্য নির্ধারিত ১০টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৮টিই শূন্য। নেই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, নেই ৪ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, এমনকি উচ্চমান সহকারী, হিসাব সহকারী ও অফিস সহায়কের পদও খালি। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুলাই উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদ বদলি হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদটি শূন্য রয়েছে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এসএম জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমানে একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পুরো দপ্তরের কাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। জনবল সংকটে শিক্ষকরা টাইম স্কেল, বেতনবিষয়ক আবেদনসহ বিভিন্ন কাজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অপরদিকে, পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় শিক্ষার মানও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় শিক্ষকগণ। চৌহালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এসএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি একাই সব দায়িত্ব পালন করছেন, যা মানোন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। শূন্য পদ পূরণে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, “চৌহালীতে জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই পদায়ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।” ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় মোট ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। উপজেলার এসব বিদ্যালয় নিয়ে ৫টি ক্লাস্টার গঠিত। মাসে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পদ শূন্য থাকায় সমন্বয় সভায় কাক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে না।
76
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা শিক্ষা অফিস চরম জনবল সংকটে ভুগছে। দুর্গম চরাঞ্চল অধ্যুষিত এ উপজেলায় ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদারকিতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা। ১০টি প্রশাসনিক পদের মধ্যে ৮টি খালি থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষা অফিস ও শিক্ষকদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রাজশাহী বিভাগের একমাত্র সরকারিভাবে দুর্গম ঘোষিত উপজেলা চৌহালীর ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রয়েছে প্রায় ২২ হাজার ১৫৯ শিক্ষার্থী। অথচ এসব বিদ্যালয় তদারকির জন্য নির্ধারিত ১০টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৮টিই শূন্য। নেই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, নেই ৪ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, এমনকি উচ্চমান সহকারী, হিসাব সহকারী ও অফিস সহায়কের পদও খালি।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুলাই উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদ বদলি হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদটি শূন্য রয়েছে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এসএম জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বে রয়েছেন।
বর্তমানে একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পুরো দপ্তরের কাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
জনবল সংকটে শিক্ষকরা টাইম স্কেল, বেতনবিষয়ক আবেদনসহ বিভিন্ন কাজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অপরদিকে, পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় শিক্ষার মানও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় শিক্ষকগণ।
চৌহালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এসএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি একাই সব দায়িত্ব পালন করছেন, যা মানোন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। শূন্য পদ পূরণে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, “চৌহালীতে জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই পদায়ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় মোট ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। উপজেলার এসব বিদ্যালয় নিয়ে ৫টি ক্লাস্টার গঠিত। মাসে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পদ শূন্য থাকায় সমন্বয় সভায় কাক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে না।