সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাটে জাতীয় পর্যায়ের নৌকা বাইচ বিষয়ে জরুরি তথ্য
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাটে জাতীয় পর্যায়ের নৌকা বাইচ বিষয়ে জরুরি তথ্য
আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসব নৌকা বাইচ।নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌকা বাইচ প্রচলিত আছে স্মরণাতীত কাল থেকে। সিরাজগঞ্জেও নৌকা বাইচ খুবই লোকপ্রিয় আয়োজন। বহুবছর পরে আবারও আয়োজিত হচ্ছে নৌকা বাইচ। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ঐতিহাসিক বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দরে আগামী ২২ ও ২৩ আগস্ট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের সবচেয়ে বড় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন এলাকার ২৪টি প্রশিক্ষিত দল অংশ নেবে। প্রতিযোগিতা প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকাল ২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত বড়াল নদীর বড়াল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা আশা করছেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ দর্শক প্রতিযোগিতা উপভোগ করবেন, যার মধ্যে অধিকাংশ তরুণ। অংশগ্রহণকারী নৌকার মধ্যে রয়েছে নিউ উড়ন্ত বলাকা, আল মদিনা এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, বাংলার বাঘ, নিউ বাংলার বাঘ, নিউ শারীর ভিটা এক্সপ্রেস, শেরে বাংলা ভিটাপাড়া আজম ব্রাদার্স, শেরে বাংলা ভিটাপাড়া প্রামানিক, নিউ দেওভোগ একতা এক্সপ্রেস, নিউ একতা চ্যালেঞ্জার, নিউ নাসির এক্সপ্রেস, করম আলী এক্সপ্রেস, নিউ একতা এক্সপ্রেস, দুরন্ত গোহালা সোনাইগাতী, সোনাইগাতী একতা এক্সপ্রেস, এলংজানী এক্সপ্রেস, মায়ের দোয়া এক্সপ্রেস, নলুয়া একতা চ্যালেঞ্জার, বাগিনী এক্সপ্রেস, শাপলা এক্সপ্রেস, স্বপ্নের তরী, সোনার তরী, সৈয়দ এক্সপ্রেস ও সুলতান এক্সপ্রেস। আয়োজকরা জানান, নৌকা বাইচের সময় বাঘাবাড়ী ঘাট ও আশপাশের এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠবে এবং নদীপাড়ের মানুষের পাশাপাশি পর্যটক ও বাইচপ্রেমীদের ভিড় থাকবে। সিরাজগঞ্জসহ টাঙ্গাইল ও পাবনা জেলায় নৌকা বাইচে সরু ও লম্বা দ্রুতগতিসম্পন্ন ছিপ জাতীয় নৌকা ব্যবহূত হয়। এর গঠনও সাধারণত সরু এবং এটি লম্বায় ১৫০ ফুট থেকে ২০০ ফুট, তবে এর পিছনের দিকটা নদীর পানি থেকে প্রায় ৫ ফুট উঁচু ও সামনের দিকটা পানির সাথে মিলানো থাকে। এর সামনের ও পিছনের মাথায় চুমকির দ্বারা বিভিন্ন রকমের কারুকার্য করা হয়। এটিও শাল, গর্জন, শীল কড়ই, চাম্বুল ইত্যাদি কাঠ দ্বারা তৈরি করা হয়। নৌকা বাইচের 'বাইচ' শব্দটি ফারসি যার অর্থ বাজি বা খেলা। নৌকার দাঁড় টানার কসরত ও নৌকা চালনার কৌশল দ্বারা জয়লাভের উদ্দেশ্যে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় দূরত্ব হয় ৬৫০ মিটার। প্রতিটি...
63
আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসব নৌকা বাইচ।নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌকা বাইচ প্রচলিত আছে স্মরণাতীত কাল থেকে। সিরাজগঞ্জেও নৌকা বাইচ খুবই লোকপ্রিয় আয়োজন। বহুবছর পরে আবারও আয়োজিত হচ্ছে নৌকা বাইচ।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ঐতিহাসিক বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দরে আগামী ২২ ও ২৩ আগস্ট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের সবচেয়ে বড় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন এলাকার ২৪টি প্রশিক্ষিত দল অংশ নেবে।
প্রতিযোগিতা প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকাল ২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত বড়াল নদীর বড়াল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা আশা করছেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ দর্শক প্রতিযোগিতা উপভোগ করবেন, যার মধ্যে অধিকাংশ তরুণ।
অংশগ্রহণকারী নৌকার মধ্যে রয়েছে নিউ উড়ন্ত বলাকা, আল মদিনা এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, বাংলার বাঘ, নিউ বাংলার বাঘ, নিউ শারীর ভিটা এক্সপ্রেস, শেরে বাংলা ভিটাপাড়া আজম ব্রাদার্স, শেরে বাংলা ভিটাপাড়া প্রামানিক, নিউ দেওভোগ একতা এক্সপ্রেস, নিউ একতা চ্যালেঞ্জার, নিউ নাসির এক্সপ্রেস, করম আলী এক্সপ্রেস, নিউ একতা এক্সপ্রেস, দুরন্ত গোহালা সোনাইগাতী, সোনাইগাতী একতা এক্সপ্রেস, এলংজানী এক্সপ্রেস, মায়ের দোয়া এক্সপ্রেস, নলুয়া একতা চ্যালেঞ্জার, বাগিনী এক্সপ্রেস, শাপলা এক্সপ্রেস, স্বপ্নের তরী, সোনার তরী, সৈয়দ এক্সপ্রেস ও সুলতান এক্সপ্রেস।
আয়োজকরা জানান, নৌকা বাইচের সময় বাঘাবাড়ী ঘাট ও আশপাশের এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠবে এবং নদীপাড়ের মানুষের পাশাপাশি পর্যটক ও বাইচপ্রেমীদের ভিড় থাকবে।
সিরাজগঞ্জসহ টাঙ্গাইল ও পাবনা জেলায় নৌকা বাইচে সরু ও লম্বা দ্রুতগতিসম্পন্ন ছিপ জাতীয় নৌকা ব্যবহূত হয়। এর গঠনও সাধারণত সরু এবং এটি লম্বায় ১৫০ ফুট থেকে ২০০ ফুট, তবে এর পিছনের দিকটা নদীর পানি থেকে প্রায় ৫ ফুট উঁচু ও সামনের দিকটা পানির সাথে মিলানো থাকে। এর সামনের ও পিছনের মাথায় চুমকির দ্বারা বিভিন্ন রকমের কারুকার্য করা হয়। এটিও শাল, গর্জন, শীল কড়ই, চাম্বুল ইত্যাদি কাঠ দ্বারা তৈরি করা হয়।
নৌকা বাইচের ‘বাইচ’ শব্দটি ফারসি যার অর্থ বাজি বা খেলা। নৌকার দাঁড় টানার কসরত ও নৌকা চালনার কৌশল দ্বারা জয়লাভের উদ্দেশ্যে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় দূরত্ব হয় ৬৫০ মিটার। প্রতিটি নৌকায় ৭, ২৫, ৫০ বা ১০০ জন মাঝি বা বৈঠাচালক থাকতে পারে।