ভিক্ষুক নারীর আরেক বস্তা টাকা উদ্ধার, মিললো মোট তিন বস্তা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
ভিক্ষুক নারীর আরেক বস্তা টাকা উদ্ধার, মিললো মোট তিন বস্তা
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাছুমপুর নতুনপাড়ায় ভিক্ষুক বৃদ্ধা মোছাঃ সালেয়া বেগমের ঘর থেকে আবারও টাকা উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা হয় আরও এক বস্তা টাকা, যা তার আগের দুই বস্তার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তিন বস্তা টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে পাইওনিয়ার কেজি অ্যান্ড হাই স্কুলের পেছনে স্থানীয়রা সালেয়া বেগমের ঘর থেকে দুই বস্তা টাকা গোনেন। ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ৬৫ বছর বয়সী সালেয়া বেগম দীর্ঘ চার দশক ধরে ভিক্ষা করে টাকা জমান। তিনি একসময় সিরাজগঞ্জ কওমি জুট মিলের বারান্দায় থাকতেন এবং জীবনের প্রায় সব সময়ই সেখানেই কাটিয়েছেন। প্রয়োজনের সময় বা অসুস্থ হলেও নিজের জন্য তিনি কখনো সেই টাকা খরচ করতেন না। তার একমাত্র মেয়ে মোছাঃ শাপলা খাতুন এবং জামাতা মোঃ শহিদুল ইসলাম (রিকশাচালক) জানান, তারা কখনো ধারণা করতে পারেননি সালেয়া বেগম এত টাকা জমিয়ে রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, ভিক্ষুক নারীর আরেক বস্তা টাকা বেশিরভাগ অংশ পুরোনো ও ছেঁড়া নোট। টাকার মধ্যে রয়েছে ১, ২, ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার পুরোনো নোট, কিছু কয়েন এবং কিছু কাগজে মোড়ানো নোটের গুচ্ছ। উদ্ধার হওয়া টাকা গণনা ও সংরক্ষণের জন্য স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
126
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাছুমপুর নতুনপাড়ায় ভিক্ষুক বৃদ্ধা মোছাঃ সালেয়া বেগমের ঘর থেকে আবারও টাকা উদ্ধার হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা হয় আরও এক বস্তা টাকা, যা তার আগের দুই বস্তার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তিন বস্তা টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে পাইওনিয়ার কেজি অ্যান্ড হাই স্কুলের পেছনে স্থানীয়রা সালেয়া বেগমের ঘর থেকে দুই বস্তা টাকা গোনেন। ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ৬৫ বছর বয়সী সালেয়া বেগম দীর্ঘ চার দশক ধরে ভিক্ষা করে টাকা জমান। তিনি একসময় সিরাজগঞ্জ কওমি জুট মিলের বারান্দায় থাকতেন এবং জীবনের প্রায় সব সময়ই সেখানেই কাটিয়েছেন। প্রয়োজনের সময় বা অসুস্থ হলেও নিজের জন্য তিনি কখনো সেই টাকা খরচ করতেন না।
তার একমাত্র মেয়ে মোছাঃ শাপলা খাতুন এবং জামাতা মোঃ শহিদুল ইসলাম (রিকশাচালক) জানান, তারা কখনো ধারণা করতে পারেননি সালেয়া বেগম এত টাকা জমিয়ে রেখেছেন।
স্থানীয়রা জানান, ভিক্ষুক নারীর আরেক বস্তা টাকা বেশিরভাগ অংশ পুরোনো ও ছেঁড়া নোট। টাকার মধ্যে রয়েছে ১, ২, ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার পুরোনো নোট, কিছু কয়েন এবং কিছু কাগজে মোড়ানো নোটের গুচ্ছ।
উদ্ধার হওয়া টাকা গণনা ও সংরক্ষণের জন্য স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছ।