1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
যমুনা’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা সিরাজগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ভোটের সরঞ্জামাদি সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ পরিচ্ছন্নতা স্বেচ্ছাসেবীর জন্য ৩০টি সাইকেল দিলেন হাজী সাত্তার সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসকের মোবাইল নম্বর হ্যাক করে টাকা দাবি সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে সিরাজগঞ্জের তাঁতের কাপড়ের হাট সিরাজগঞ্জে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ রায়গঞ্জে পুকুর দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২ ঈদ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ সীমান্তে মূল্যবান পণ্যবাহী যান চলাচলে পুলিশ এসকর্ট ব্যবস্থা
                   
                       

উত্তরবঙ্গে ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স, সিরাজগঞ্জে দরকার সতর্কতা

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
174

আবারও ছড়াতে শুরু করেছে গবাদি পশুজনিত মারাত্মক সংক্রমণ অ্যানথ্রাক্স। ইতিমধ্যে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় রোগটি শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সিরাজগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় সম্প্রতি আটজনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। স্থানীয়ভাবে দুইজনের মৃত্যু এবং অন্তত ৫০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ পশু জবাই বা মাংস প্রক্রিয়াজন করার সময় সংক্রমিত হয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ গরু-ছাগল কেনাবেচা হয়। তাই শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, বেলকুচি ও কাজিপুর উপজেলাগুলোতে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাংস ব্যবসায়ী ও পশুপালকদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশু জবাইয়ের আগে সরকারি পশুচিকিৎসকের সার্টিফিকেট নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অ্যানথাক্স রোগ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্যমতে, অ্যানথ্রাক্স ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ। এটি সাধারণত গরু, ছাগল ও ভেড়ার মতো গবাদি পশু থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। মানুষে মানুষে সংক্রমণ খুবই বিরল, তবে আক্রান্ত পশুর চামড়া, রক্ত বা অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা মাংসের সংস্পর্শে এলে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।

রোগটির তিনটি প্রধান ধরন রয়েছে। ত্বকজনিত অ্যানথ্রাক্সে কাটা বা ক্ষতস্থানে জীবাণু প্রবেশ করে ঘা ও কালো দাগ তৈরি হয়। পাকস্থলিজনিত অ্যানথ্রাক্স সাধারণত অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা মাংস খাওয়ার ফলে হয়। আর শ্বাসজনিত অ্যানথ্রাক্সে বাতাসে থাকা জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলে প্রাণঘাতী সংক্রমণ দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্সের প্রাথমিক উপসর্গ অনেক সময় সাধারণ জ্বর বা চর্মরোগের মতো মনে হয়। তবে দ্রুত অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা নিলে রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর অসুস্থ বা মৃত গবাদি পশু জবাই বন্ধ রাখা, সংক্রমিত এলাকায় পশু ও মাংস বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা এবং মাংস ও পশুর চামড়া ভালোভাবে সিদ্ধ বা জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে পশুচিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, আতঙ্ক নয়—সচেতনতা ও সতর্কতাই অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধের মূল উপায়। সন্দেহজনক পশু বা উপসর্গ দেখলে অবিলম্বে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যেতে পারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিরাজগঞ্জে।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৫-২০২৬ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত