সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় রোপা আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। চারা উত্তোলন করে এখন পুরোদমে রোপণ শুরু করা হয়েছে। বীজ ও সারে সরকারি সহায়তা পাওয়ায় কাজ আগাচ্ছে দ্রুতগতিতে। বৃষ্টি থাকায় জমিতে তেমন একটা সেচের দরকার হচ্ছে না। সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবছর সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় ৭৫ হাজার ৮০৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ চাষাবাদে বীজতলা ৪ হাজার ১৮১ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। থেকে চারা উত্তোলন করে এখন পুরোদমে রোপণ শুরু করা হয়েছে। আরও জানা গেছে, ইতোমধ্যেই জেলার ১৩ হাজার ৩৮০ জন কৃষককে বীজ ও সার প্রনোদনা হিসাবে দেয়া হচ্ছে। প্রতি বছরের ন্যায় শস্যভান্ডার খ্যাত জেলার তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলাসহ সবকয়টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন জাতের রোপা আমন ধানের চারা জমিতে রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। এসব ধানের মধ্যে রয়েছে, ব্রি ধান ৭১, ৭৫, ৪৯, ১০৩ এবং দেশীয় জাতের ধানের চারাও রোপণ করা হচ্ছে। এ চাষাবাদে খরচ কম লাভ বেশি হওয়ায় ঝুঁকে পড়েছে কৃষকরা। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা গেছে, গত মাসের শেষ থেকে রোপা আমন চাষাবাদে জমি প্রস্তুতে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ শুরু হয়েছে এবং সেই সঙ্গে জমিতে ধানের চারা রোপণও শুরু করা হয়েছে। টানা বর্ষণেও এ চাষাবাদ এগিয়ে যাচ্ছে। অতি বর্ষণে অনেক কৃষকের বীজতলা বিনষ্ট হয়েছে। এতে অনেক স্থানে চারা সংকট ও তার মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ চাষাবাদে শ্রমিক (কামলা) সংকটের সৃষ্টি ও মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এ রোপা আমন চাষাবাদও শুরু করা হয়েছে। এদিকে এ চাষাবাদের জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে বীজ বপন করা হয়েছে। পরিস্থিতি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
50
সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় রোপা আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। চারা উত্তোলন করে এখন পুরোদমে রোপণ শুরু করা হয়েছে। বীজ ও সারে সরকারি সহায়তা পাওয়ায় কাজ আগাচ্ছে দ্রুতগতিতে। বৃষ্টি থাকায় জমিতে তেমন একটা সেচের দরকার হচ্ছে না।
সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবছর সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় ৭৫ হাজার ৮০৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ চাষাবাদে বীজতলা ৪ হাজার ১৮১ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। থেকে চারা উত্তোলন করে এখন পুরোদমে রোপণ শুরু করা হয়েছে।
আরও জানা গেছে, ইতোমধ্যেই জেলার ১৩ হাজার ৩৮০ জন কৃষককে বীজ ও সার প্রনোদনা হিসাবে দেয়া হচ্ছে।
প্রতি বছরের ন্যায় শস্যভান্ডার খ্যাত জেলার তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলাসহ সবকয়টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন জাতের রোপা আমন ধানের চারা জমিতে রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। এসব ধানের মধ্যে রয়েছে, ব্রি ধান ৭১, ৭৫, ৪৯, ১০৩ এবং দেশীয় জাতের ধানের চারাও রোপণ করা হচ্ছে। এ চাষাবাদে খরচ কম লাভ বেশি হওয়ায় ঝুঁকে পড়েছে কৃষকরা।
সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা গেছে, গত মাসের শেষ থেকে রোপা আমন চাষাবাদে জমি প্রস্তুতে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ শুরু হয়েছে এবং সেই সঙ্গে জমিতে ধানের চারা রোপণও শুরু করা হয়েছে। টানা বর্ষণেও এ চাষাবাদ এগিয়ে যাচ্ছে। অতি বর্ষণে অনেক কৃষকের বীজতলা বিনষ্ট হয়েছে। এতে অনেক স্থানে চারা সংকট ও তার মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ চাষাবাদে শ্রমিক (কামলা) সংকটের সৃষ্টি ও মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এ রোপা আমন চাষাবাদও শুরু করা হয়েছে।
এদিকে এ চাষাবাদের জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে বীজ বপন করা হয়েছে। পরিস্থিতি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।