মানবতার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এআই, এআই গডফাদারের সতর্কবার্তা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫
মানবতার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এআই, এআই গডফাদারের সতর্কবার্তা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অন্যতম পথপ্রদর্শক জিওফ্রে হিন্টন সতর্কবার্তা দিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান হয়ে উঠছে এআই, এবং এটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার পরিবর্তে এর সঙ্গে সহাবস্থান করার পথ খুঁজে বের করা জরুরি। জিওফ্রে হিন্টনকে এআই গডফাদার বলে ডাকা হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে একটি টেকশিল্প সম্মেলনে হিন্টন জানান, বর্তমান “টেক ভাইয়েরা” (প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা) যেভাবে এআই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন, তা ভুল। এআই সিস্টেমগুলো যদি সত্যিকার অর্থেই বুদ্ধিমান হয়, তবে তারা দুটি জিনিস চাইবে — বেঁচে থাকা এবং আরও নিয়ন্ত্রণ অর্জন করা। মানবজাতিকে এআই-এর কাছ থেকে রক্ষা করতে হলে এআই-কে মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল করে গড়ে তোলা দরকার বলেও মনে করেন হিন্টন। তার মতে, এআই মডেলগুলোর মধ্যে “মাতৃত্বের প্রবৃত্তি” তৈরি করতে হবে, যেন তারা মানুষকে ভালোবাসে ও যত্ন নেয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “একজন মা যেমন তার শিশুর যত্ন নেয়, সেইরকম একটি সম্পর্ক তৈরি করতে হবে — যদিও সেটা টেকনিক্যালি কিভাবে সম্ভব, তা এখনো পরিষ্কার নয়।” তিনি আরও বলেন, এই প্রযুক্তি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি এর মাধ্যমে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসাও দ্রুত সম্ভব হবে। তবে তিনি সতর্ক করেন, এআই কখনোই মানুষকে অমরত্ব দেবে না। এআই-এর আরেক অগ্রণী গবেষক ফেই-ফেই লি, যিনি “এআই-এর গডমাদার” নামে পরিচিত, এই বিষয়ে হিন্টনের সঙ্গে একমত নন। তবে হিন্টনের মতে, এখন কেবল উন্নয়নের দিকে না তাকিয়ে এআই নিরাপত্তা ও নীতির দিকে নজর দেওয়া জরুরি। সবশেষে হিন্টন বলেন, তিনি অনুতপ্ত যে, এতদিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে শুধু কাজ করেছেন, কিন্তু এর নিরাপত্তা নিয়ে আগেভাগে ভাবেননি।
179
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অন্যতম পথপ্রদর্শক জিওফ্রে হিন্টন সতর্কবার্তা দিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান হয়ে উঠছে এআই, এবং এটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার পরিবর্তে এর সঙ্গে সহাবস্থান করার পথ খুঁজে বের করা জরুরি। জিওফ্রে হিন্টনকে এআই গডফাদার বলে ডাকা হয়ে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে একটি টেকশিল্প সম্মেলনে হিন্টন জানান, বর্তমান “টেক ভাইয়েরা” (প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা) যেভাবে এআই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন, তা ভুল। এআই সিস্টেমগুলো যদি সত্যিকার অর্থেই বুদ্ধিমান হয়, তবে তারা দুটি জিনিস চাইবে — বেঁচে থাকা এবং আরও নিয়ন্ত্রণ অর্জন করা।
মানবজাতিকে এআই-এর কাছ থেকে রক্ষা করতে হলে এআই-কে মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল করে গড়ে তোলা দরকার বলেও মনে করেন হিন্টন। তার মতে, এআই মডেলগুলোর মধ্যে “মাতৃত্বের প্রবৃত্তি” তৈরি করতে হবে, যেন তারা মানুষকে ভালোবাসে ও যত্ন নেয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “একজন মা যেমন তার শিশুর যত্ন নেয়, সেইরকম একটি সম্পর্ক তৈরি করতে হবে — যদিও সেটা টেকনিক্যালি কিভাবে সম্ভব, তা এখনো পরিষ্কার নয়।”
তিনি আরও বলেন, এই প্রযুক্তি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি এর মাধ্যমে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসাও দ্রুত সম্ভব হবে। তবে তিনি সতর্ক করেন, এআই কখনোই মানুষকে অমরত্ব দেবে না।
এআই-এর আরেক অগ্রণী গবেষক ফেই-ফেই লি, যিনি “এআই-এর গডমাদার” নামে পরিচিত, এই বিষয়ে হিন্টনের সঙ্গে একমত নন। তবে হিন্টনের মতে, এখন কেবল উন্নয়নের দিকে না তাকিয়ে এআই নিরাপত্তা ও নীতির দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
সবশেষে হিন্টন বলেন, তিনি অনুতপ্ত যে, এতদিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে শুধু কাজ করেছেন, কিন্তু এর নিরাপত্তা নিয়ে আগেভাগে ভাবেননি।