1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
উল্লাপাড়ায় ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ পড়ে নারী নিহত তাড়াশ ও রায়গঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ২ কামারখন্দে এনডিপির উদ্যোগে ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন আমিরুল ইসলাম খান ডিজেল সংকটে বন্ধ পাম্প, বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক রায়গঞ্জে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ইটভাটার চিমনি, জরিমানা লাখ টাকা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দল সিরাজগঞ্জের আহ্বায়ক ফ্রুট, সদস্য সচিব আলীম বিদ্যুৎ সরবরাহ জটিলতায় সিরাজগঞ্জে সাময়িক বন্ধ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বদলে গেলো শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের নাম
                   
                       

সিরাজগঞ্জে শীতের আগাম সবজির বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
118

সিরাজগঞ্জের যমুনা ও ইছামতি নদীর চরজুড়ে আগাম শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুম শুরুর আগেই বাজারে সবজি তুলে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর চরাঞ্চলে ধনেপাতা, লালশাক, মুলা, পুঁইশাক, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, টমেটো, ডাটা, পালংশাকসহ নানা জাতের সবজি চাষ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অনেক সবজি বাজারজাতও হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে জেলায় ৩ হাজার ৬৪০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ হয়েছে। যমুনার পলিমাটিতে উৎপাদিত এসব সবজি দ্রুত বাজারে ওঠে এবং ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভ পাচ্ছেন। বর্তমানে বাজারে ফুলকপি ৭০–৮০ টাকা, বেগুন ১০০–১২০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, মুলা ৫০–৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা, পাকা পেঁপে ৭০–৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

যমুনার চরাঞ্চলের কৃষক জানে আলম জানান, তার ২৬ শতক জমিতে লালশাক, পালংশাক, ধনেপাতা ও মুলা চাষ করেছেন। মুলা ও পালংশাক বিক্রি শুরু হয়েছে, আর লালশাকও কয়েক দিনের মধ্যেই বিক্রির উপযোগী হবে।
সিরাজগঞ্জে শীতের আগাম সবজির বাম্পার ফলন
একইভাবে মল্লিকা পাড়া চরের কৃষক শফিকুর ১২ শতক জমিতে লালশাক, পালংশাক ও মুলাশাক চাষ করে ভালো ফলনের আশা করছেন।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন, যমুনা চরে প্রতিবছরই কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করে লাভবান হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকদের আরও বেশি লাভ হবে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক একে এম মঞ্জুরে মওলা জানান, যমুনার পলিমাটিতে উৎপাদিত সবজি মান ও উৎপাদনে অনন্য। বাজারে ভালো দাম মিলছে, ফলে কৃষকদের লাভজনক অবস্থান আরও শক্ত হচ্ছে।

01

02

Tags: , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত