কিংবদন্তি বামপন্থী চিন্তক, গবেষক ও রাজনীতিবিদ কমরেড বদরুদ্দীন উমরের জীবন ও কর্ম স্মরণে সিরাজগঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আজ ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার আয়োজিত এই স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন কমরেড বরকতুল্লাহ। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল জাতীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড ফয়জুল হাকিম। তিনি কমরেড উমরের আজীবন রাজনৈতিক সংগ্রাম, সমাজ পরিবর্তনের দর্শন এবং প্রগতিশীল আন্দোলনে তার অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেছেন, দেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনে বদরুদ্দীন উমর স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি বলেন, দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদার করতে মার্ক্সবাদ–লেনিনবাদী তাত্ত্বিক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরের বিশ্লেষণমূলক লেখার প্রতি সমাজে নতুন করে আগ্রহ ও প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশী কোম্পানির হাতে বন্দরের দুটি টার্মিনাল ৩০ বছরের জন্য ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে বরকতুল্লাহ সর্বত্র শ্রমিক–কৃষকের সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১৮ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং আগামী দিনের বিপ্লবী গণঅভ্যুত্থানের প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমেই বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো সার্থক হবে। স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাশিদুল হক রাসু, শহীদুল ইসলাম, নব কুমার, আব্দুল মান্নান, আব্দুল মালেক এবং রফিকুল ইসলাম। তারা কমরেড উমরের কর্মময় জীবন, লেখালেখি, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বাংলাদেশে বাম রাজনীতির ইতিহাসে তার ভূমিকাকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। সভা পরিচালনা করেন উদয় পাল। বক্তারা বলেন, কমরেড বদরুদ্দীন উমর ছিলেন একাধারে গবেষক, লেখক ও সংগঠক— যার চিন্তা, দর্শন ও রাজনৈতিক শিক্ষা আগামী প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে। স্মরণ সভায় বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
89
কিংবদন্তি বামপন্থী চিন্তক, গবেষক ও রাজনীতিবিদ কমরেড বদরুদ্দীন উমরের জীবন ও কর্ম স্মরণে সিরাজগঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আজ ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার আয়োজিত এই স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন কমরেড বরকতুল্লাহ।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল জাতীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড ফয়জুল হাকিম। তিনি কমরেড উমরের আজীবন রাজনৈতিক সংগ্রাম, সমাজ পরিবর্তনের দর্শন এবং প্রগতিশীল আন্দোলনে তার অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেছেন, দেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনে বদরুদ্দীন উমর স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি বলেন, দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম জোরদার করতে মার্ক্সবাদ–লেনিনবাদী তাত্ত্বিক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরের বিশ্লেষণমূলক লেখার প্রতি সমাজে নতুন করে আগ্রহ ও প্রয়োজন তৈরি হয়েছে।
তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশী কোম্পানির হাতে বন্দরের দুটি টার্মিনাল ৩০ বছরের জন্য ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে বরকতুল্লাহ সর্বত্র শ্রমিক–কৃষকের সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১৮ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং আগামী দিনের বিপ্লবী গণঅভ্যুত্থানের প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমেই বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো সার্থক হবে।
স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাশিদুল হক রাসু, শহীদুল ইসলাম, নব কুমার, আব্দুল মান্নান, আব্দুল মালেক এবং রফিকুল ইসলাম। তারা কমরেড উমরের কর্মময় জীবন, লেখালেখি, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বাংলাদেশে বাম রাজনীতির ইতিহাসে তার ভূমিকাকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
সভা পরিচালনা করেন উদয় পাল। বক্তারা বলেন, কমরেড বদরুদ্দীন উমর ছিলেন একাধারে গবেষক, লেখক ও সংগঠক— যার চিন্তা, দর্শন ও রাজনৈতিক শিক্ষা আগামী প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে।
স্মরণ সভায় বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।