রায়গঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫০০ একর আবাদি জমি এ মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে অনাবাদি হয়ে পড়েছে, এরফলে সমস্যায় পড়েছেন বহু কৃষক পরিবার। জমিগুলো ধামাইনগড় ও সোনাখাড়া ইউনিয়নের চান্দাইকোনা, সিমলা, কোদলা, গদাইপুর, ক্ষুদ্রদৌলতপুর, কামালের চর, বাঁকাই, পার কৃষ্ণপুর ও সোনাখাড়ার গ্রামের করতোয়া বিলের পাশে অবস্থিত বলে জানা গেছে। শনিবার (১ নভেম্বর) স্থানীয় সূত্রে রায়গঞ্জে জলাবদ্ধতার এ তথ্য জানা গেছে। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানিয়েছেন, অল্প বৃষ্টিতেও এখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে পানি জমে থাকায় আমন চাষাবাদ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের মতে, ৯ গ্রামের নিচু অঞ্চলে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা আরও বাড়ছে। সিমলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, পানি অপসারণের জন্য জমি থেকে যে বড় খাড়ী ড্রেজিং-এর ব্যবস্থা ছিল, তা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় কার্যকারিতা এখন কম। নদীতে পানি নিস্কাশনের জন্য বড় ধরনের পাইপলাইন থাকলে এ জলাবদ্ধতা হতো না। এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কৃষি জমি চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে, যাতে জলাবদ্ধতা দূর করা যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হুমায়ন কবিরও নিশ্চিত করেছেন, দ্রুত প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে জমি থেকে জল অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
33
রায়গঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫০০ একর আবাদি জমি এ মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে অনাবাদি হয়ে পড়েছে, এরফলে সমস্যায় পড়েছেন বহু কৃষক পরিবার। জমিগুলো ধামাইনগড় ও সোনাখাড়া ইউনিয়নের চান্দাইকোনা, সিমলা, কোদলা, গদাইপুর, ক্ষুদ্রদৌলতপুর, কামালের চর, বাঁকাই, পার কৃষ্ণপুর ও সোনাখাড়ার গ্রামের করতোয়া বিলের পাশে অবস্থিত বলে জানা গেছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) স্থানীয় সূত্রে রায়গঞ্জে জলাবদ্ধতার এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানিয়েছেন, অল্প বৃষ্টিতেও এখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে পানি জমে থাকায় আমন চাষাবাদ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের মতে, ৯ গ্রামের নিচু অঞ্চলে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা আরও বাড়ছে।
সিমলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, পানি অপসারণের জন্য জমি থেকে যে বড় খাড়ী ড্রেজিং-এর ব্যবস্থা ছিল, তা প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় কার্যকারিতা এখন কম। নদীতে পানি নিস্কাশনের জন্য বড় ধরনের পাইপলাইন থাকলে এ জলাবদ্ধতা হতো না।
এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কৃষি জমি চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে, যাতে জলাবদ্ধতা দূর করা যায়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হুমায়ন কবিরও নিশ্চিত করেছেন, দ্রুত প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে জমি থেকে জল অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।