দেশের ওপর ধেয়ে আসছে মৌসুম-পরবর্তী প্রথম ক্রান্তীয় বৃষ্টি বলয় 'আঁখি', যার প্রভাব পড়বে সিরাজগঞ্জ জেলাতেও। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত এই বৃষ্টি বলয় সক্রিয় থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (BWOT)। এই সময় সারাদেশে বৃষ্টি হলেও সর্বাধিক সক্রিয় থাকবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল — বিশেষ করে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগেও বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ প্রবল। সিরাজগঞ্জ জেলায় আঁখি বৃষ্টি বলয়ের সময়ে ৫৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গড়ে ৩ দিন সিরাজগঞ্জে বৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর সময়ের মধ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে একটানা বা বিরতিসহ ভারী বৃষ্টির ঘটনা ঘটতে পারে। এই সময়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকবে। তবে বন্যার আশঙ্কা খুব একটা নেই। কিন্তু উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে যমুনা ও এর শাখা নদীগুলোর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। আবহাওয়া বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, রংপুর বিভাগের দিক থেকে আগত এই বৃষ্টি বলয় মূলত একটি আংশিক সিস্টেম—যার কেন্দ্র রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর বঙ্গোপসাগরের প্রভাবিত অঞ্চলে। এর ফলে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে গিয়ে উত্তরাঞ্চলে প্রবল বর্ষণ ঘটবে। সিরাজগঞ্জ ছাড়াও রাজশাহী, বগুড়া, নওগাঁ ও জয়পুরহাটে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে রংপুরে সর্বাধিক (১০০-১১০ মিমি) এবং কুড়িগ্রামে (১২০ মিমি পর্যন্ত) বৃষ্টিপাত হতে পারে। স্থানীয় কৃষকদের জন্য এই বৃষ্টি কিছুটা আশীর্বাদ হিসেবে আসতে পারে, কারণ 'আঁখি' চলাকালীন সময়ে দেশের প্রায় ২০-৩০ শতাংশ এলাকায় সেচের চাহিদা পূরণ হবে বলে ধারণা করছে BWOT। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী, সবাইকে সর্বশেষ সরকারি আবহাওয়া বার্তা অনুসরণ করতে এবং বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য 'আঁখি' বৃষ্টি বলয় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চল অতিক্রম করে ২ নভেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম উপকূল হয়ে দেশ ত্যাগ করবে।
157
দেশের ওপর ধেয়ে আসছে মৌসুম-পরবর্তী প্রথম ক্রান্তীয় বৃষ্টি বলয় ‘আঁখি’, যার প্রভাব পড়বে সিরাজগঞ্জ জেলাতেও। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২ নভেম্বর পর্যন্ত এই বৃষ্টি বলয় সক্রিয় থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (BWOT)।
এই সময় সারাদেশে বৃষ্টি হলেও সর্বাধিক সক্রিয় থাকবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল — বিশেষ করে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগেও বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ প্রবল।
সিরাজগঞ্জ জেলায় আঁখি বৃষ্টি বলয়ের সময়ে ৫৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গড়ে ৩ দিন সিরাজগঞ্জে বৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর সময়ের মধ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে একটানা বা বিরতিসহ ভারী বৃষ্টির ঘটনা ঘটতে পারে। এই সময়ে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকবে।
তবে বন্যার আশঙ্কা খুব একটা নেই। কিন্তু উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে যমুনা ও এর শাখা নদীগুলোর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, রংপুর বিভাগের দিক থেকে আগত এই বৃষ্টি বলয় মূলত একটি আংশিক সিস্টেম—যার কেন্দ্র রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর বঙ্গোপসাগরের প্রভাবিত অঞ্চলে। এর ফলে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে গিয়ে উত্তরাঞ্চলে প্রবল বর্ষণ ঘটবে।
সিরাজগঞ্জ ছাড়াও রাজশাহী, বগুড়া, নওগাঁ ও জয়পুরহাটে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে রংপুরে সর্বাধিক (১০০-১১০ মিমি) এবং কুড়িগ্রামে (১২০ মিমি পর্যন্ত) বৃষ্টিপাত হতে পারে।
স্থানীয় কৃষকদের জন্য এই বৃষ্টি কিছুটা আশীর্বাদ হিসেবে আসতে পারে, কারণ ‘আঁখি’ চলাকালীন সময়ে দেশের প্রায় ২০-৩০ শতাংশ এলাকায় সেচের চাহিদা পূরণ হবে বলে ধারণা করছে BWOT।
তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী, সবাইকে সর্বশেষ সরকারি আবহাওয়া বার্তা অনুসরণ করতে এবং বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য ‘আঁখি’ বৃষ্টি বলয় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চল অতিক্রম করে ২ নভেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম উপকূল হয়ে দেশ ত্যাগ করবে।