উল্লাপাড়ায় মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে নদী ইজারা দেওয়ার অভিযোগ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
উল্লাপাড়ায় মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে নদী ইজারা দেওয়ার অভিযোগ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় স্থানীয় একটি মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে গোহালা নদীর আড়াই কিলোমিটার শাখা খাল বেআইনি ও অবৈধভাবে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত শতাধিক মৎস্যজীবীর জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) উধুনিয়া বাজারে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে নদীটি ১ লাখ ৬২ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। তবে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রশাসন বলছে, নদী সরকারি সম্পদ, কোনো ব্যক্তি বা কমিটির ইজারা দেওয়ার এখতিয়ার নেই। ৪০ বছর ধরে এই নদীতে মাছ ধরা জেলে আব্দুল মান্নান ফকির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নদীতে মাছ ধরেছি সারাজীবন, টাকা লাগে না। এবার মাছ ধরতে হলে অন্তত ১০-১৫ হাজার টাকা দিতে হবে।” জেলে ইসমাইল হোসেন বলেন, “১৫ বছর ধরে মাছ ধরছি, এবার ইজারার কারণে শতাধিক জেলে বেকায়দায় পড়েছে।” অন্যদিকে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি হাজি আব্দুল হামিদ জানান, “মসজিদ উন্নয়নের তহবিল সংগ্রহের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারাদার ছাড়া অন্য কেউ মাছ ধরতে পারবে না।” ইজারাদার ইউসুফ আলী মোল্লা বলেন, “সর্বোচ্চ দর দিয়ে আমি ইজারা নিয়েছি। স্থানীয়দের উপস্থিতিতেই এটি সম্পন্ন হয়েছে।”* এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, “নদীতে মাছ ধরার জন্য কোনো মসজিদ কমিটির ইজারা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।” উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা রিমা বলেন, “সরকারি জলমহাল ডিসেম্বর মাসে নিয়ম অনুযায়ী ইজারা দেওয়া হয়।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত জানান, “নদী সরকারি সম্পদ। কেউ অবৈধভাবে ইজারা দিয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
156
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় স্থানীয় একটি মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে গোহালা নদীর আড়াই কিলোমিটার শাখা খাল বেআইনি ও অবৈধভাবে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত শতাধিক মৎস্যজীবীর জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) উধুনিয়া বাজারে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে নদীটি ১ লাখ ৬২ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। তবে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রশাসন বলছে, নদী সরকারি সম্পদ, কোনো ব্যক্তি বা কমিটির ইজারা দেওয়ার এখতিয়ার নেই।
৪০ বছর ধরে এই নদীতে মাছ ধরা জেলে আব্দুল মান্নান ফকির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নদীতে মাছ ধরেছি সারাজীবন, টাকা লাগে না। এবার মাছ ধরতে হলে অন্তত ১০-১৫ হাজার টাকা দিতে হবে।”
জেলে ইসমাইল হোসেন বলেন, “১৫ বছর ধরে মাছ ধরছি, এবার ইজারার কারণে শতাধিক জেলে বেকায়দায় পড়েছে।”
অন্যদিকে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি হাজি আব্দুল হামিদ জানান, “মসজিদ উন্নয়নের তহবিল সংগ্রহের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারাদার ছাড়া অন্য কেউ মাছ ধরতে পারবে না।”
ইজারাদার ইউসুফ আলী মোল্লা বলেন, “সর্বোচ্চ দর দিয়ে আমি ইজারা নিয়েছি। স্থানীয়দের উপস্থিতিতেই এটি সম্পন্ন হয়েছে।”*
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, “নদীতে মাছ ধরার জন্য কোনো মসজিদ কমিটির ইজারা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা রিমা বলেন, “সরকারি জলমহাল ডিসেম্বর মাসে নিয়ম অনুযায়ী ইজারা দেওয়া হয়।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত জানান, “নদী সরকারি সম্পদ। কেউ অবৈধভাবে ইজারা দিয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”