1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
সিরাজগঞ্জের চরের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরতে ‘চর উৎসব’ অনুষ্ঠিত ডিসেম্বরের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগের লক্ষ্য, সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্ক পরিদর্শনে মুখ্য সচিব সিরাজগঞ্জে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য লায়ন্স ক্লাবের চক্ষু ক্যাম্প সিরাজগঞ্জে মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা সিরাজগঞ্জে উৎসবমুখর দুর্গাপূজা: মণ্ডপে পুলিশের নজরদারি, মহাসড়কে টহল ‘সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য-ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে হবে’ মাহমুদপুরের বিদ্যাকোষ পাঠাগারের সভাপতি মতিন সজীব, সম্পাদক নূর মোক্তার দুর্গাপূজায় বর্ণিল আলোয় সেজেছে সিরাজগঞ্জ দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর: বিদ্যুৎমন্ত্রী কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ট্যাবুমুক্ত করার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

তামান্না বুক ডিপো: তিন দশক বন্ধ থাকার পর আবার খুললো

আসাদুজ্জামান নূরী রানা
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
351

সিরাজগঞ্জ জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার এক অনন্য নাম ‘তামান্না বুক ডিপো’। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন দশক বন্ধ থাকার পর অবশেষে আবারও খুললো এই প্রতিষ্ঠান। তামান্না বুক ডিপোর মালিক আলম খানের মৃত্যুর পর স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি, আজ তাঁরই বোন নতুন করে এর আলো জ্বালালেন।

ইতিহাসের সাক্ষী তামান্না বুক ডিপো

সত্তর ও আশির দশকের সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিল তামান্না বুক ডিপো। এখানে বসেই গড়ে উঠেছে বহু কবি-সাহিত্যিকের প্রজন্ম। নিশাত খান, সাইফুল ইসলাম, শ ম শহীদুল ইসলাম, মোহন রায়হান, ইসহাক খান, ইকতিয়ার চৌধুরী, ইমতিয়াজ শামীম প্রমুখ লেখক-কবিদের সাহিত্যচর্চার সূতিকাগার ছিল এই বুক ডিপো।

শুধু কবি-সাহিত্যিক নন, তৎকালীন সময়ের নামকরা রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও ভিড় জমাতেন এখানে। বলা চলে, তামান্না বুক ডিপো হয়ে উঠেছিল সিরাজগঞ্জের সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র।

আলম খানের নীরব আলোকবর্তিকা

তামান্না বুক ডিপো মানেই ছিল এক নিবেদিত প্রাণ মানুষ—আলম খান। নীরব কিন্তু উদ্যমী এই সাহিত্যপ্রেমীর হাত ধরেই বুক ডিপো হয়ে উঠেছিল সংস্কৃতির বাতিঘর। তাঁর উদ্যোগেই যুদ্ধোত্তর সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল সিরাজগঞ্জের প্রথম সাহিত্য মাসিক ‘প্রভাতী’, যার সম্পাদনায় ছিলেন আমিরুল ইসলাম মুকুল।

আলম খান ছিলেন নেপথ্যের নায়ক। যিনি শুধু বই বিক্রেতা ছিলেন না; তিনি ছিলেন স্বপ্নদ্রষ্টা, ছিলেন সাহিত্যের আস্থাভাজন।

সাহিত্যচর্চার নতুন অধ্যায়

প্রায় চার দশক পর বুক ডিপোটি আবারও চালু হওয়ায় সিরাজগঞ্জের সংস্কৃতিমনা মানুষদের মাঝে ফিরেছে উৎসাহের জোয়ার। বই বিক্রির পাশাপাশি এখানে যেন আবারও শুরু হয় সাহিত্য আড্ডা, কবিতা পাঠ, গবেষণা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড—এমন প্রত্যাশা করছেন সংস্কৃতিপ্রেমিরা।

সিরাজগঞ্জের অনেকেই বলছেন, তামান্না বুক ডিপো যদি কেবল বইয়ের দোকান না হয়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পুনরুজ্জীবিত হয়, তবে আগের সেই জৌলুস ও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

ভবিষ্যতের প্রত্যাশা

তামান্না বুক ডিপো আবার জেগে উঠেছে। এখন দরকার নতুন প্রজন্মকে যুক্ত করা, তাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করা। এই বুক ডিপো যদি হয়ে ওঠে মুক্তচিন্তার উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ, তবে তা কেবল সিরাজগঞ্জ নয়, গোটা দেশের সাহিত্য-সংস্কৃতির ভুবনকেও সমৃদ্ধ করবে।
তামান্না বুক ডিপো সিরাজগঞ্জ
তামান্না বুক ডিপোর নবযাত্রা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—বই, সাহিত্য ও সংস্কৃতি কখনো মরে না; কেবল নতুন প্রাণের ছোঁয়ায় আবার জেগে ওঠে।

01

02

Tags:

351
এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

পরবর্তী নিউজ লোড হচ্ছে...

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত