1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
সিরাজগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আটক ১ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি হলেন সিরাজগঞ্জের কৃতি শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সিরাজগঞ্জে আদালতে আত্মসমর্পণ, স্থায়ী জামিন পেলেন আমির হামজা অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে মুখোমুখি সিরাজগঞ্জ-মৌলভীবাজার পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জে চারা বিতরণ স্বাবলম্বী করতে ১৬ নারীকে সেলাই মেশিন দিল সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপ ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী: সিরাজগঞ্জের কিংবদন্তি নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে স্মরণ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপে নতুন সদস্য ভর্তি শুরু শাহজাদপুর নাগরিক উন্নয়ন কমিটির সভায় নানা উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা
                   
                       

রোপা আমনে সেচের কাজে অর্থের ঘাটতিতে সিরাজগঞ্জের কৃষক

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সেচের পানি
277

সিরাজগঞ্জ জেলায় রোপা আমন ধান আবাদে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা। জেলার বিভিন্ন মাঠে এখনো চারা রোপণ চলছে, কোথাও আবার আগাম জাতের ধানে আগাছা পরিষ্কার ও সেচ দেওয়ার কাজও জোরেশোরে চলছে। তবে হাতে নগদ টাকার ঘাটতি থাকায় অনেক কৃষক সমস্যায় পড়ছেন, আবার অনেকে আগাম ফসল ভাগাভাগির চুক্তিতে যাচ্ছেন।

জেলা কৃষি অফিস জানায়, এ মৌসুমে সিরাজগঞ্জে ৭৫ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লাপাড়া, তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আবাদ হচ্ছে। কৃষকেরা এবার বেশি ফলনশীল জাতের চারা রোপণ করেছেন।

কৃষকেরা জানিয়েছেন, আমন মৌসুমে হাতে নগদ টাকা না থাকায় সেচের খরচ ফসলের ভাগ দিয়ে মেটাতে তারা বেশি আগ্রহী। অনেক ক্ষেত্রে জমির ধানের সিকি ভাগ বা চার ভাগের এক ভাগ সেচ বাবদ মেশিন মালিককে দেওয়ার শর্তে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে নগদ অর্থের চাপ কমে যায়।

একজন কৃষক বলেন, “ধান কাটার পর সেচের ভাগ মেটানো সহজ হয়। নগদ টাকা না থাকায় এ ব্যবস্থা আমাদের জন্য ভালো।”

অন্যদিকে, এক সেচ মেশিন মালিক জানান, “প্রায় একশ বিঘা জমিতে আমি পানি সেচ দিচ্ছি। মৌসুমে নিয়মিত সেচ দিতে হয়। এজন্য আমরা চার ভাগের এক ভাগ ধান নিই। তবে বিদ্যুতের দাম বাড়লেও ভাগ আর বাড়াইনি।” তিনি আরও বলেন, “কৃষকের ফসল নষ্ট হলেও আমরা আলাদা খরচ দাবি করি না।”
সেচের পানি
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন জানান, এবারের মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৭৫ হাজার হেক্টর পরিমাণ জমিতে রোপা আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকেরা রোপা আমন ধানের পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত এখন । আমরা কৃষকদের নানা ধরণের পরামর্শ দিয়ে আসছি।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত