1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
রোপা আমনে সেচের কাজে অর্থের ঘাটতিতে সিরাজগঞ্জের কৃষক
নতুন সংবাদ
নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তাড়াশে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জামায়াত সরকার গঠন করলে সিরাজগঞ্জ থেকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটে আগ্রহ নেই সিরাজগঞ্জের কারাবন্দীদের সিরাজগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ যমুনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে কলেজছাত্র নিখোঁজ বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রচারণা শুরু চৌহালীতে বন্যা পূর্বাভাসভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ে সমন্বয় সভা সিরাজগঞ্জে ছাত্রদলে যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ৬০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ এম হাফিজউদ্দিন খানের ইন্তেকালে সিসাসের গভীর শোক
                   
                       

রোপা আমনে সেচের কাজে অর্থের ঘাটতিতে সিরাজগঞ্জের কৃষক

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সেচের পানি
185

সিরাজগঞ্জ জেলায় রোপা আমন ধান আবাদে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা। জেলার বিভিন্ন মাঠে এখনো চারা রোপণ চলছে, কোথাও আবার আগাম জাতের ধানে আগাছা পরিষ্কার ও সেচ দেওয়ার কাজও জোরেশোরে চলছে। তবে হাতে নগদ টাকার ঘাটতি থাকায় অনেক কৃষক সমস্যায় পড়ছেন, আবার অনেকে আগাম ফসল ভাগাভাগির চুক্তিতে যাচ্ছেন।

জেলা কৃষি অফিস জানায়, এ মৌসুমে সিরাজগঞ্জে ৭৫ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লাপাড়া, তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আবাদ হচ্ছে। কৃষকেরা এবার বেশি ফলনশীল জাতের চারা রোপণ করেছেন।

কৃষকেরা জানিয়েছেন, আমন মৌসুমে হাতে নগদ টাকা না থাকায় সেচের খরচ ফসলের ভাগ দিয়ে মেটাতে তারা বেশি আগ্রহী। অনেক ক্ষেত্রে জমির ধানের সিকি ভাগ বা চার ভাগের এক ভাগ সেচ বাবদ মেশিন মালিককে দেওয়ার শর্তে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে নগদ অর্থের চাপ কমে যায়।

একজন কৃষক বলেন, “ধান কাটার পর সেচের ভাগ মেটানো সহজ হয়। নগদ টাকা না থাকায় এ ব্যবস্থা আমাদের জন্য ভালো।”

অন্যদিকে, এক সেচ মেশিন মালিক জানান, “প্রায় একশ বিঘা জমিতে আমি পানি সেচ দিচ্ছি। মৌসুমে নিয়মিত সেচ দিতে হয়। এজন্য আমরা চার ভাগের এক ভাগ ধান নিই। তবে বিদ্যুতের দাম বাড়লেও ভাগ আর বাড়াইনি।” তিনি আরও বলেন, “কৃষকের ফসল নষ্ট হলেও আমরা আলাদা খরচ দাবি করি না।”
সেচের পানি
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন জানান, এবারের মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৭৫ হাজার হেক্টর পরিমাণ জমিতে রোপা আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকেরা রোপা আমন ধানের পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত এখন । আমরা কৃষকদের নানা ধরণের পরামর্শ দিয়ে আসছি।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৫-২০২৬ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
error: Content is protected !!